শিরোনাম
রোয়াংছড়িতে ৩৩৪ পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণ দিলেন উপজেলা প্রশাসনরাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি ছাড়া হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেকরাঙ্গামাটিতে আঃলীগ নেতার বাগানের গাছ বিক্রির অভিযোগে বিএনপি’র সদস্যকে শো-কজআমি দিনমজুর, আপনাদের সহায়তায় আমার সন্তানটি বাঁচতেও পারেবান্দরবনের লামায় বন্যাদুর্গতদের পাশে আবুল খায়ের টোব্যাকোমাটিরাঙ্গায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সহায়তাকাপ্তাই নতুন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি- জয়নাল, সম্পাদক- করিমখাগড়াছড়িতে ইয়াবা সহ ডিবি’র হাতে ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটকখাগড়াছড়ির রামগড়ে জুলাই শহীদ দিবস উদযাপনখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ‘জুলাই শহিদ দিবস’ পালিত

রাঙ্গামাটিতে আঃলীগ নেতার বাগানের গাছ বিক্রির অভিযোগে বিএনপি’র সদস্যকে শো-কজ

॥ লংগদু উপজেলা প্রতিনিধি ॥
রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলা আওয়ামীলগের নেতার বাগান থেকে ২৪ লক্ষ টাকার গাছ জোরপূর্বক কেটে উপজেলা বিএনপি’র এক সদস্য বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় খোদ বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাতক স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বিএনপি’র ঐ সদস্যের কাছে জবাব চেয়েছে। প্রমানে ব্যর্থ হলে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

জানা গেছে, রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ফয়েজুল আজীম ফয়েজের সেগুন বাগান থেকে গাছ কেটে বিক্রি করেছেন উপজেলা বিএনপি’র সদস্য মোঃ রাজ্জাক। এ নিয়ে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল করার ঘটনায় তোলপাড়ও সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের কাছে। এ ঘটনা জানার পর দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অভিযোগে উপজেলা বিএনপি’র সদস্য রাজ্জাককে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ১৭ জুলাই শুক্রবার লংগদু উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ তোফাজ্জল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের যৌথ স্বাক্ষরে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ও আওয়ামীলীগ নেতা ফয়েজুল এর পরিবার এবং সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় গাছ কাটার একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে উপজেলা বিএনপির সদস্য রাজ্জাক মন্তব্য করেন যে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামীলীগ নেতা ফয়েজুল আজীম ফয়েজের একটি সেগুন বাগান থেকে প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা মূল্যেও সেগুন গাছ কেটে বিক্রি করেছে উপজেলা বিএনপি। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। যদিও শুরুতে এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন দাবি করে লংগদু উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ তোফাজ্জল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এটি একটি পরিকল্পিত অপপ্রচার।

পরে ১৭ জুলাই শুক্রবার লংগদু উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ তোফাজ্জল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের যৌথ স্বাক্ষরে জড়িত সদস্য রাজ্জাককে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ইস্যু করা ঐ নোটিশে অভিযুক্ত রাজ্জাককে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তার বক্তব্যের স্ব-পক্ষে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণসহ লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে “কেন তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, অভিযুক্ত সদস্য যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সঠিক প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হন, তবে জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দের নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আইনি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কারণ দর্শনোর নোটিশ এর বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য অভিযুক্ত বিএনপি নেতা রাজ্জাকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এই বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।