কাপ্তাইয়ে কোরবানির পশুর হাটে পাহাড়ি গরুর কদর বেশি
॥ কাপ্তাই উপজেলা প্রতিনিধি ॥
রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলার ৪নম্বর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ডের আনন্দ মেলা মাঠে শুরু হয়েছে কোরবানি পশু ক্রয়বিক্রয়ের হাট। পবিত্র ঈদুল আজহার বাকিমাত্র কয়েক দিন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে পশু ক্রয়বিক্রয় এর নানা প্রুস্তুতি। রবিবার (১০ মে) কাপ্তাই নতুন বাজার আনন্দ মেলা মাঠে পশু হাটে গিয়ে দেখা যায় নানা রঙের গরু নিয়ে পসরা বসেছে।
কাপ্তাই উপজেলায় এার পাহাড়ি গরুর কদর বেশি। সকলের নজর পাহাড়ি গরুর দিকে। বেশির ভাগ গরু রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি, জুড়াছড়ি, বরকল ও লংগদুসহ পাহাড়ি এলাকার আশপাশ হতে বেপারীরা বিক্রয়ের জন্য নতুন বাজার হাটে নিয়ে আসছে। গরু ব্যবসায়ী রমজান আলী জানান, কাপ্তাই লেকের পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলে পাহাড় থেকে গরু আনতে খুব কষ্ট হচ্ছে। গরুর দাম কেমন জানতে চাইলে তিনি জানান এবার একটু বেশি। কারন জানতে চাইলে তিনি জানান, বিভিন্ন জিনিস পত্র ও দ্রব্যমূল্যর দাম বৃদ্ধি পাশাপাশি গরুর দামও একটু বেশি বলে উল্লেখ করেন।
চট্টগ্রাম জেলার রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা থেকে গরু ক্রয় করতে আসা আব্দুল মান্নান ও ইলিয়াস জানান, আমরা পাহাড়ি গরু কিনতে আসছি। কারন পাহাড়ি গরু ন্যাচারাল খাবার খায়। চর্বি কম এবং মোটাতাজা। পাহাড়ি গরুর তেমন একটা অসুস্থ হয়না। বা এসকল গরুকে ইনজেকশন দিয়ে মোটাতাজা করা হয়না। যার ফলে পাহাড়ি গরুর কদর সকলের কাছে বেশি। গরু বিক্রয় করতে আসা মামুন, নফর আলী, বাবু ও করিম জানান,আমরা কয়েকজন মিলে গরু খামার করেছি এবং এবার খামারের গরু হাটে বিক্রয়ের জন্য আনছি। তাদের এক একটা গরু দেড় লাখ হতে দু’লাখ টাকা হাকা হচ্ছে। সামান্য কিছু লাভ হলে ছেড়ে দিবে বলে জানান।
অপর ব্যবসায়ী আবুল কালাম জানান, পাহাড় থেকে বেশির ভাগ গরু পাশ্ববর্তী উপজেলা, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান ও চট্টগ্রামে ছোট, বড় গাড়িতে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নেয়া হচ্ছে। কাপ্তাই উপজেলা প্রাণী সম্পাদ কর্মকর্তা ডক্টর এনামুল হক হাজারী জানান, কাপ্তাই উপজেলায় এবার ২০২৬ সালে কোরবানির ঈদের মোট পশুর চাহিদা ৬হাজার ২শ’,উদ্বৃত্ত আছে এক হাজার ১৭৭টিরমত। তিনি আরও জানান,উপজেলা প্রাণী সম্পাদের পক্ষ হতে পশু পরীক্ষা -নিরিক্ষার জন্য কাপ্তাই নতুন বাজার আনন্দ মেলা গরুর হাটে ঈদের ৪/৫দিন আগে মেডিকেল টিম থাকবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং জালটাকার বিষয়ে সচেতনামূলক কাজ করবে জানান।