শিরোনাম
সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ জরুরি, খাগড়াছড়িতে উঠান বৈঠক২৪ বছর শিকলে বাঁধা হাতি ‘বাহাদুর’ বন বিভাগ জেনেও না জানার ভান করে আছেস্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বার্মিজ কারেন্ট জালসহ ৪ জন আটকখাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণা

যতো বেশী প্রচার ততো বেশী উপকার: যুগ্ম ও দায়রা জজ

৪৭

॥ মিলটন বড়ুয়া ॥
যতো বেশী প্রচার ততো বেশী উপকার। আমরা চাই মানুষ যাহাতে বুঝতে পারে তার জন্য সরকারের এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তাই গণমাধ্যম বা সাংবাদিকরাই পারে মানুষের সচেতনতার এবং আইনী সহায়তার জন্য সরকারের এই উদ্যোগকে ব্যাপক আকারে প্রচার করতে। আগামী ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ পালন উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিয় সভায় চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এএসএম এমরান একথা বলেন।

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালন বিষয়ে বুধবার (২২এপ্রিল) সকালে জেলা লিগ্যাল এইড এর কার্যালয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন এএসএম এমরান, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ আমানত উল্লাহ্ শাহীন লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সিভিল জজ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মোঃ আনোয়ার আল হক, সভাপতি, রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাব, সুশীল প্রসাদ চাকমা, সভাপতি, রাঙ্গামাটি রিপোটার্স ইউনিটি, মিলটন বড়ুয়া, সম্পাদক, সাপ্তাহিক পাহাড়ের সময় ও সভাপতি পার্বত্য সাংবাদিক ইউনিয়ন, সৈকত রঞ্জন চৌধুরী, সভাপতি, রাঙ্গামাটি সাংবাদিক সমিতি।

যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আরো বলেন, জনগনের স্বার্থেই আমাদের এই প্রচারণা। আমরা সরকারের জনকল্যাণ কাজের অংশ জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ইং পালন করতে যাচ্ছি আগামী ২৮ এপ্রিল। অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্তনালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়া সহ গলমান্যব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসটি ব্যাপক প্রচারের আহ্বান জানান বিচারক এএসএম এমরান। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন, ইসলামী ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে অবহিত করা হবে । এছাড়াও স্থানীয় এনজিও সংস্থা, স্কাউটস সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও অবগত করা হবে বলেও জানান। আমরা চাই মানুষ যাহাতে বুঝতে পারে তার জন্য সরকারের এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। কেননা যতো বেশী প্রচার ততো বেশী উপকার।