শিরোনাম
যানবাহন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালদক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করছেন রামগড়ের সন্তান মংসাথোয়াইসুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

বান্দরবনের থানচির নারিকেল পাড়া সড়কের বেহাল দশায় দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের বাসিন্দা

২০

॥ চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ॥
বান্দরবনের থানচিতে নারিকেল পাড়া যাওয়ার সড়কের বেহাল অবস্থায় দীর্ঘ চার বছরেও সংস্কার নেই, জনভোগান্তিতে পাঁচ গ্রামের মানুষ। সড়কটি মাত্র তিন কিলোমিটার পুরো সড়কজুড়ে গর্ত আর খানাখন্দ কোথাও ইট উঠে গেছে, কোথাও বসে গেছে মাটি। চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় চরমভাবে দুর্ভোগে পড়েছে পাঁচ গ্রামের মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ ইটভাটার জন্য মাটি ও কাঠবোঝাই ভারী যানবাহনের অবাধ চলাচলেই এই সড়কের এমন করুণ পরিণতি। বছরের পর বছর ব্যবহার হলেও হয়নি কোনো সংস্কার, নেই কোনো নজরদারি। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় অনেকেই এখন এই সড়ক ব্যবহার না করে নৌপথে যাতায়াত করছেন তারা।

জানা গেছে, নারিকেল পাড়াসহ আশেপাশে খেবুহ্র্রী পাড়া, নিয়াবু পাড়া, রাইহিং পাড়া ও ছোট য়াংহ্রে পাড়ার অন্তত পাঁচটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই সড়ক। অথচ চার বছর ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। ইটসলিং সড়কটি এখন যানবাহন চলাচলে ব্যবহার উপযোগী নয়।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, নারিকেল পাড়া যাওয়ার সড়কটি ভাঙাচোরা, গর্ত ও খানাখন্দের ভরে গেছে পুরোসড়ক। কোনো যানবাহনে চলাচলে পুরোদমে অনুপযোগী হচ্ছে, ফলে ভাঙাচোরা সড়ক আর সীমাহীন দুর্ভোগে বিপর্যস্ত এখানকার পাঁচটি গ্রামের বাসিন্দাদের। নারিকেল পাড়া সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা জানান, সড়কটির চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকাতে মানুষের দুর্ভোগ চরমে। নৌ ও সড়কপথ দুটিই হয়ে পড়ে বিপজ্জনক।

স্থানীয় বাসিন্দার উক্যবু মারমা (২৮), মংসাই মারমা (৪১), ফোসাচিং মারমা (৬১) ও মংপ্রু মারমা (৬৮) বলেন, সড়কটি ইটভাটার কাঠভর্তি চলাচলের ভাঙন ও খানাখন্দের ভরে গেছে পুরোসড়ক। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে স্থবির হয়ে পড়ছে স্থানীয় অর্থনীতি। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিতে গিয়ে পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে। পরিবহন সংকটে পণ্যের ন্যায্য মূল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

অন্যদিকে নারিকেল পাড়াপ্রধান মংএ মারমা (৪৮) বলেন, এই পথ দিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করে শিক্ষার্থী সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, রোগী এবং সাধারণ মানুষও। কিন্তু এখন সেই পথই হয়ে উঠেছে ঝুঁকিপূর্ণ। রোগীর ক্ষেত্রে জরুরিভাবে হাসপাতালে পৌঁছানো কঠিন হওয়ায় এখন নৌপথই একমাত্র ভরসা।

এবিষয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন জানান, নারিকেল পাড়া যাওয়ার সড়কটি সরকারের সড়ক আইডিভুক্ত না হওয়ায় স্থায়ী সমাধান ঝুলে আছে। তবে চলতি বছরে একটি প্রকল্প বাজেটের মাধ্যমে সড়কটি সংস্কারের সম্ভাবনা বেশি রয়েছে বলে জানান তিনি।