শিরোনাম
রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তারএম এন লারমা পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বনির্বাচনী সকল ওয়াদা পূরণ করা হবে: দীপেন দেওয়ান এমপিকাপ্তাই উপজেলার ভলুকিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত করার আশ্বাসলংগদুতে স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভাযানবাহন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালদক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করছেন রামগড়ের সন্তান মংসাথোয়াইসুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদান

বান্দরবনের রোয়াংছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন

১৭

॥ হ্লাছোহ্রী মারমা, রোয়াংছড়ি ॥
কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচী-সিআরইএ প্রকল্পের আওতায় আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা বনবিভাগ কার্যালয় সংলগ্নে মাঠের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৮ মার্চ) পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। অনুষ্ঠানের বেসরকারি সংস্থায় গ্রাউসের প্রজেক্ট কর্মকর্তা অংচউ মারম সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন অব: শিক্ষক ও সিএজি কমিটির সভাপতি মংপু মারমা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩নং আলেক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা। বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি মেম্বার গান্ধী লাল তঞ্চঙ্গ্যা, রোয়াংছড়ি প্রেস ক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক সাথোয়াইঅং মারমা, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর অম্লান চাকমা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও সমতার প্রশ্নে দীর্ঘদিনের সংগ্রামকে স্মরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয়ই নিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ইতিহাস মূলত শ্রমজীবী নারীদের অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত। ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি সুচ কারখানার নারী শ্রমিকরা দৈনিক ১২ ঘণ্টার শ্রম কমিয়ে আট ঘণ্টা করা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। ১৮৬০ সালের একই দিনে ‘নারীশ্রমিক ইউনিয়ন’ গঠিত হয়।

১৯০৮ সালে নিউইয়র্কে পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের প্রায় দেড় হাজার নারী শ্রমিক নিজেদের অধিকার আদায় ও ১৯১০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক সম্মেলনে জার্মান নেত্রী ক্লারা জেটকিন ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাবের দিনটি নারী অধিকার আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে পালিত হয়ে থাকে। জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে আন্তর্জাতিক নারীবর্ষ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন শুরু করে। পরে ১৯৭৭ সালে দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সংস্থাটি। তাই জাতিগত, ভাষাগত, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সব ক্ষেত্রেই বৈষম্য দূর করে নারীর অর্জনকে মর্যাদা দেওয়ার বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে নারীরা তাদের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসকে স্মরণ করেন এবং ভবিষ্যতে আরও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।