শিরোনাম
মানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীখাগড়াছড়ির পানছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুর মৃত্যু, বিজিবি’র সদস্য আহতবান্দরবানের লামায় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার এলজিইডি’র সড়কের উন্নয়ন কাজ ব্যাপক অনিয়মে ?দুর্গম পাহাড়ে বঞ্চিত বহু মানুষের চিকিৎসা সেবায় মাটিরাঙ্গা সেনা জোনবাঘাইছড়িতে সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ প্রদানবান্দরবানের লামায় কৃষক পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগরাঙ্গামাটিতে দূর্গাপ্রতিমা বিসর্জন হলো সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ভক্ত অনুরাগীদের অশ্রুনয়নেকাপ্তাই বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদটি পূর্ণ সংস্কার করে দেওয়া হোকখাগড়াছড়ির রামগড়ে পুজামন্ডপ পরিদর্শনে ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপিদুর্গাপূজা উপলক্ষে রামগড়ে ৫০ অসহায় নারীকে শাড়ি প্রদান

পার্বত্য চট্টগ্রামের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অভূতপূর্ব এই ই-লার্নিং কার্যক্রম: উপদেষ্টা সুপ্রদীপ

১২

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপদ্রীপ চাকমা বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশের মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত করতে এবং আধুনিক শিক্ষা বিস্তারে ই-লার্নিং কার্যক্রম এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করলেন প্রধান উপদেষ্টা। এ অঞ্চলের গুণগত ও আধুনিক শিক্ষা বিস্তারে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার ১২টি বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-লার্নিং কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর বেইলি রোডস্থ কার্যালয় ‘যমুনা’ থেকে অনলাইনে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার ১২টি বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-লার্নিং কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরো বলেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস পার্বত্য চট্টগ্রামের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অভূতপূর্ব এই ই-লার্নিং কার্যক্রম তাঁর হাত দিয়ে উদ্বোধন হলো। এ অঞ্চলের গুণগত ও আধুনিক শিক্ষা বিস্তারে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন প্রধান উপদেষ্টা। এই ব্যবস্থাটির বাস্তবায়ন মূলত প্রধান উপদেষ্টার একক চিন্তা ও চেতনারই ফসল। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ নির্দেশনায় পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ আজ তিন জেলার প্রতিটিতে ১টি প্রাথমিক ও ৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ মোট ১২টি স্কুলে ই-লার্নিং চালুর মধ্য দিয়ে বিশ্বমানের শিক্ষার সাথে যুক্ত হতে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য কেবল এই ১২টি স্কুল নয়, বরং প্রাথমিকভাবে ১৫০টি বা তারও অধিক বিদ্যালয়কে সংযুক্ত করে ই-লার্নিং-এর আওতায় আনার কাজ চলছে। চলতি মাসের মধ্যেই এগুলোর দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানের চেয়ে পিছিয়ে রাখতে চায় না। এই ই-লার্নিং স্কুল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে পার্বত্যবাসীদের কাছে দেওয়া আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলো। এর ফলে পার্বত্য অঞ্চল প্রযুক্তির নব-দিগন্ত, যোগাযোগ ও পর্যটনসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও সমৃদ্ধ হবে। সবশেষে তিনি একটি বৈষম্যহীন, মানবিক মর্যাদাসম্পন্ন এবং সম্প্রীতি ও প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

এর আগে প্রধান উপদেষ্টা এসব বিদ্যালয়ে অনলাইনে যুক্ত হয়ে ই-লার্নিংভুক্ত ১২টি বিদ্যালয়ের কার্যক্রম উদ্বোধন করলে উপস্থিত শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা এসময় প্রধান উপদেষ্টার সাথে মতবিনিময় করেন।