শিরোনাম
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে দ্ররিদ্রদের সহায়তা প্রদানরাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে বজ্রপাতে এক শিশুর মৃত্যুপার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের জীবিকার সুরক্ষায় নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীবাঘাইছড়িতে অবৈধভাবে মজুদ করা সাড়ে ৫ লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ জব্দবান্দরবনের থানচিতে হামের সঙ্গে ডায়রিয়ার প্রকোপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সীমান্তের মানুষওমাটিরাঙ্গায় কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ ও সার বিতরণখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পাহাড়ি লিচুর মৌ মৌ গন্ধে মুখর বাজার এলাকাচুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে চুক্তি সম্পাদনকারী দলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরাঙ্গামাটিতে দীপন তালুকদার দীপুকে-ই চেয়ারম্যান হিসেবে চায় বিএনপি পরিবারের অনেকেখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ভারসাম্যহীন ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে চেক বিতরণ

১৪

্॥ নিজস্ব প্রতিবেদক, লামা ॥
লামা বন বিভাগের আওতায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫জানুয়ারী) দুপুরে ১২টায় লামা বন বিভাগের রেস্ট হাউজ চত্বরে এসব চেক বিতরণ করা হয়।

লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) লামা রুবায়েত আহমেদ, লামা বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মাসুদ আলম। আরো উপস্থিত ছিলেন, লামা সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা কে এম কবির উদ্দিন, ডলুছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তা আরিফুর রহমান ও মাতামুহুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মালেক সহ প্রমূখ। এছাড়া সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, সামাজিক বনায়নের অংশীদার, বন্যহাতি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন ও বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

বন বিভাগের পক্ষ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্যহাতি দ্বারা আক্রান্ত মানুষ এবং ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদ ও ফসলের ক্ষতিপূরণ বাবদ ২১ জনকে মোট ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণের চেক দেয়া হয়। অত্র বন বিভাগের আওতায় সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে মাতামুহুরী রেঞ্জের আলীকদম বিটে ক্রাইক্ষ্যং ও চিতারঝিরি এলাকায় ২০০৪ ও ২০০৫ অর্থবছরে সৃজিত ৫০ হেক্টর ব্লকউড ব্লক এ-১ ও এ-২ বাগানের ৫০ জন উপকারভোগী ও ২০০৪ ও ২০০৫ অর্থবছরে সৃজিত ৫০ হেক্টর ব্লকউড ব্লক­ক এ-৩ ও এ-৪ বাগানের ৪ জন উপকারভোগীর মাঝে লভ্যাংশ বাবদ মোট ৬৮ লাখ ৭৫ হাজার ৩২৬ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

বন্যহাতি সংরক্ষণ ও মানুষ হাতির সহবস্থান নিয়ে বিষদ আলোচনা করেন, বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিম। তিনি বলেন, হাতিকে আঘাত না করলে হাতি কখনো মানুষকে আঘাত করেনা। কখনো শুনেছেন বন বিভাগের কোন স্টাফকে বন্য প্রাণীকে আঘাত করেছে কিনা। হাতি মানুষের জায়গায় আসেনি, মানুষ হাতির আবাসস্থলে গিয়েছি। পৃথিবীকে মানুষের আবাদযোগ্য রাখতে হলে বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ আমাদের রক্ষা করতে হবে। তিনি আরো বলেন, সামাজিক বনায়নে অংশীদার হয়ে অনেকে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তিনি প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনা সভা শেষে বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে চেক পেয়ে এতে উপকারভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন বিভাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।