শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

আমাদের লক্ষ্য থাকবে একটি সুন্দর নগর হিসেবে গড়ে তোলার সহযোগীতা: শেলটেক

২৪

॥ মিলটন বড়ুয়া ॥
সরকার এবং জনগনের অর্থ ব্যয় করার পিছনে একটি সুন্দর পরিকল্পনা রয়েছে নগর উন্নয়নে, আমরা সেই মাস্টার প্লান এর কাজে সহযোগীতা করতে এসেছি। রাঙ্গামাটি একটি পর্যটন নগরী তাই নগর উন্নয়নে পৌরসভার সাথে সমন্বয় করে আমরাও কাজে সহযোগীতা দেবো। মঙ্গলবার (১৩জানুয়ারি) সকালে বেসরকারি সংস্থা শেলটেক কনসালটেন্ট প্রাঃ লিমিটেড, রাঙ্গামাটি জেলা অফিসের সহকারী নগর পরিকল্পনাবিদরা এসব কথা বলেন।

কাঠালতলীস্থ জেলা অফিসে সকাল ১১টায় সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন শেলটেক এর সহকারী দুই নগর পরিকল্পনাবিদ ইসফাক রহমান এবং শাদাৎ হোসেন। এসময় সাংবাদিকদের মধ্যে মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ শামসুল আলম, মিলটন বড়ুয়া, সত্রং চাকমা, সৈকত রঞ্জন চৌধুরী, মোঃ কামাল উদ্দিন সহ প্রমুখ।

শেলটেক এর সহকারী দুই নগর পরিকল্পনাবিদ তাদের বক্তব্যে বলেন, সরকারের কাজের সহায়ক প্রতিষ্ঠান শেলটেক। আমরা নগর উন্নয়নে সরকারের নেওয়া মাস্টার প্লান কাজে সহযোগীতা দেবো। রাঙ্গামাটি একটি পর্যটন নগরী এখানে পৌরসভার সাথে সমন্বয় রেখে আমাদের কাজ। তারা বলেন, পৌরসভার নগর উন্নয়ন প্রকল্প (আইইউজিআইপ)র কাজে আমাদের আজাকের এ ফোকাস গ্রুপ আলোচনা। এখানে রাস্তাঘাট, অবকাঠামো সহ নগর উন্নয়নে বিভিন্ন কাজে আমরাও অংশীদারিত্ব নজর দেবো। আমাদের লক্ষ্য থাকবে রাঙ্গামাটি পৌরসভার বিভিন্ন নগরকে একটি সুন্দর নগর হিসেবে গড়ে তোলার সহযোগীতা। এ উন্নয়নে সরকার এবং জনগনের অর্থ ব্যয় করার পেছনে যে মাস্টার প্লান থাকবে আমরা সেই মাস্টার প্লানকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবো। প্রশাসনিক কাজেও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজের সমন্বয়ের বিষয়ে আমাদের অংশ গ্রহন থাকবে। এছাড়ারও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে তাঁদের অবকাঠামোর উন্নয়ন কাজেও আমরা পরিকল্পনার সহযোগিতা দেবো।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবও দেন তাঁরা। পৌরসভার বিগত মেয়র হাবিবুর রহমানের সময়ে নগর, বস্তি উন্নয়ন ও পরিকল্পনা এবং কাজের বিষয়ে সাংবাদিকরা বলেন, এখানে নগর ও বস্তি উন্নয়নের নামে যে কাজ করা হয়েছে তার মধ্যে শহরের বিভিন্ন এলাকার কাপ্তই হ্রদের পাশঘেঁষা গড়ে তোলা বাড়ি ঘরের জন্য স্যানিটেশন সুবিধা দেওয়া হলেও এসব বাসা বাড়ির অধিকাংশ সেপটিক ট্যাংক অনেকটা হ্রদের মধ্যে পতিত হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বা স্বাভাবিক নিয়মে যখন হ্রদে পানি বাড়ে তখন এসব সেপটিক ট্যাংকগুলো হ্রদেই ডুবে থাকে এতে করে পানি দুষিতই হয়ে আসছে। তার মধ্যে দৈনন্দিন কাজের ময়লা সহ ব্যবহৃত পানি হ্রদেতো পড়ছেই। এসব থেকে উত্তোরনের ভালো পরিকল্পনা নেওয়া দরকার বলে সাংবাদিকরা আশা প্রকাশ করেন।

শহরের কাঠালতলীস্থ বাঁধের পাশ ঘেঁষে রাঙ্গামাটি সড়ক বিভাগ যে পর্যটন স্পট বা বিনোদনের জন্য উন্নয়ন কাজ করছে এসব কোটিউর্দ্ধো অর্থ পরে অনর্থেই পরিণত হবে। কেননা বিগত সরকারের সেতু ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় কর্তৃক চার লেনের সড়ক উন্নয়নের এ কাজে অনেকটা সড়কের উপর বিনোদন কেন্দ্র বা স্পট আদো নগর উন্নয়নের পরিকল্পনার অংশ বা অনুমোদিত কিনা প্রশ্নই থাকছে। রাঙ্গামাটি পর্যটন নগরী হিসেবে যাবাহন চলাচলে ব্যস্ত সড়কের পাশে এ বিনোদন কেন্দ্রে বড় কোন দূর্ঘটনা ঘটে গেলে তার দায়ওবা নেবে কে। এসময় তারা বলেন, এসব বিষয়গুলো আমরা ভালোমন্দ জানার চেষ্টা করবো। নগর পরিকল্পনার কাজে এসে অমরা পৌরসভা থেকে একটি কক্ষ বরাদ্দ চেয়েছিলাম কিন্তু না পাওয়া এখন আলাদা অফিস কক্ষ ভাড়া নিতে হয়েছে। গত বছরের জুন মাস থেকেই কাজ শুরু করেছেন বলে জানান। তবে যা উন্নয়নই হোক না কেন তা সুন্দর পরিকল্পিত হওয়া দরকার বলে এ পরিকল্পনাবিদদ্বয় উল্লেখ করেন।