শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

পাহাড়ি ও বাঙালির সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান ও সুসম্পর্ক প্রশংসার দাবিদার: অধিনায়ক মাসুদ

১৪

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ মাটিরাঙ্গা জোন আওতাধীন কাঁঠাল বাগান এলাকায় এ বিশেষ মানবিক সহায়তা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচির আওতায় শীতার্ত ও অসহায় ৩০০টি পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে মাটিরাঙ্গা জোনের মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন নুর এ রেজওয়ান তৌফিক রেজবীর নেতৃত্বে প্রায় ৩৫০ জন পাহাড়ি ও বাঙালি জনগণকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়।

সময় মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান, পিএসসি উপস্থিত জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর আলতাফ হোসেন, পিএসসি-জি, মেজর গাফ্ফারুজ্জামান, পিএসজিসহ অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তারা।

বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ওষুধ ও শীতবস্ত্র পেয়ে উপকারভোগীরা মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। এ বিষয়ে জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান, পিএসসি বলেন, পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এই অঞ্চলে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান ও সুসম্পর্ক রয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

উল্লেখ্য, এ মানবিক সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সেনাবাহিনীর পারস্পরিক সম্প্রীতি, আস্থা ও সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।