শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

দীঘিনালার মিলনপুর গ্রামে নিরাপদ পানির সুবিধা পাচ্ছে ৩শতাধিক পরিবার

১৮২

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥

বিশুদ্ধ পানির অপর নাম জীবন, পাহাড়ে বিভিন্ন এলাকায় পানি জন্য হাঁহাকার ছিল। বর্তমান সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে পাহাড়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করে দিয়েছে। খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন গ্রাম সমূহে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় দীঘিনালার কবাখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের উত্তর মিলনপুর পাহাড়ি এলাকায় ৩শতাধিক পরিবরের মাঝে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের কোটি টাকা ব্যয়ে ট্যাপের মাধ্যমে ঘরে ঘরে নিরাপদ পানি পৌছে দিয়েছে। আগে ছড়া, ঝরনা, কূয়া থেকে পানি সংগ্রহ করে পান করত। শুকনো মৌসুম আসলেই ছাড়া, ঝরনা, কূয়ার পানি শুকিয়ে যেত। পানির জন্য হাঁহাকার পড়ে যেত, অনেক দুর-দুরান্ত থেকে পানি সংগ্রহ করে ব্যবহার করত।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সরকার বলেন, কবাখালী উত্তর মিলনপুরে ২টি বিভিন্ন গ্রাম সমূহে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় ২টি মোটর, ৮টি পানির ট্যাংক এর মাধ্যমে ৪০হাজার লিটার পানি সরবরাহের মাধ্যমে ৩শতাধিক পরিবারের বাড়িতে বাড়িতে পাইপে ও ট্যাপের মাধ্যমে নিরাপদ পানি পৌছে দিয়েছে সরকার।

উত্তর মিলনপুর ৭নং ওয়ার্ড নিরাপদ পানি সুবিধা সুফল ভোগকরারী কমিটির সভাপতি মোঃ আবদুল খালেক বলেন, আমাদের এই পাড়ায় পানির অনেক সমস্যা ছিল অনেক দুর দুরান্ত থেকে সুপেয় পানি এনে এলাকার লোকজন পান করত। কূয়া পানি ব্যবহার করত টিউবয়েল একে বারেই কম ছিল। টিউবয়েল এর পারি ব্যবহার করা যেত না অতিরিক্ত আয়রনের করনে। বর্তমান সরকার আমাদের এলাকায় গভীর একটি নলকূপ বাসিয়ে দিয়েছে ট্যাংকের মাধ্যমে পাইপ লাইন দিয়ে ঘরে ঘরে পানি পৌছে দিয়েছে। এখন আর এলাকার মানুষ পানির জন্য হাহাকার করতে হবে না।

উত্তর মিলনপুর এলাকার বাসিন্দা মোছাঃ রহিমা বেগম (৮০) বলেন, আমাকে মুজিববর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভূুমিহীন ও গৃহহীন হিসেবে একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকা গৃহ উপহার দিয়েছে। রমজান মাস পানি জন্য অনেক কষ্ট ছিল, পাইপ দিয়ে আমার ঘরে পানি এনে দিয়েছে পানি কষ্ট দুর হয়েছে। আমি শেখ হাসিনা সরকারকে অনেক দোয়া করি।

উত্তর মিলনপুর ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার ৭নং ওয়ার্ড পাহারে উচুতে হওয়া পানি খুব সমস্যা ছিল। এলাকার লোকজন অনেক দুর থেকে পানি এনে ব্যবহার করত। শুকনাকাল আসলে পাহাড়ি ঝিরি, ঝরনা, কূয়া শুকিয়ে যায়। বর্তমান সরকার গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধমে পানির ট্যাংঙ্কির বসিয়ে ঘরে ঘরে পানি পৌছে দিয়েছে।

কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা বলেন, কবাখালী অনেক পাড়া ও গ্রাম পাহাড়ে উচুতে হওয়া নিরাপদ সমস্যা দেখা দেয়। বর্তমান সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে পাহাড়ে বসবাসরত পরিবারের মাঝে নিরাপদপানি পৌছে দিয়ে। এতে করে পাহাড়ে মানুষগুলো সুফল ভোগ করতে পাচ্ছে।