শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রামে কৃষকদের উন্নয়নে সরকার আন্তরিকশিক্ষার প্রসার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মানবিক: বাঘাইহাট জোনকর্ণফুলী কলেজে তালিজোড়া দিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম, ৩৭ এর মধ্যে কর্মরত ১০ শিক্ষকপ্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছেক্রীড়া প্রতিভা খুঁজতে মাটিরাঙ্গায় ‘নতুন কুঁড়ি’র বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিতশিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখাতেও শেখান, ‘স্বপ্নবাহক’ বইয়ের মোড়ক উম্মোচনমহালছড়ির মুবাছড়ি বন বিহারে শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিতপুলিশ বা প্রশাসন একা মাদক নির্মূল করতে পারবে নাজিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত যুব কমপ্লেক্সই আজকের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর: দীপন তালুকদারপানছড়িস্থ ৩ বিজিবি’র ৭৮ বছরের গৌরবের পথচলায় মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

খাগড়াছড়ি এস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির আয়োজনে চাঁদ দেখার উৎসব

৯৫

।। জেলা প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি।।

এমন কোন মানুষ সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে না যে চাঁদ দেখতে পছন্দ করে না। বাড়ির ছাদে কিংবা বেলকনিতে, অথবা মাটিতে খোলা আকাশে নিচে দাঁড়িয়ে খালি চোখে আমরা চাঁদ দেখি। এবার বুদ্ধ (বৈশাখী) পূর্ণিমা উপলক্ষে চাঁদ দেখার উৎসবের আয়োজন করেছে খাগড়াছড়ি এস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি। উৎসবে ছিল টেলিস্কোপ দিয়ে চাঁদ দেখার সুযোগ।

রবিবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি শহরের সরকারি মহিলা কলেজ সড়কের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সংলগ্ন খোলা আকাশের নিচে চাঁদ দেখা উৎসবের আয়োজন করা হয়। এসময় চাঁদ দেখা উৎসবে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে চাঁদপ্রেমীরা এসে টেলিস্কোপের মাধ্যমে চাঁদ দেখেছে।

অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি এস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি আহবায়ক সবুজ চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা উত্তম খীসা।

প্রধান অতিথি বলেন, ‘এটি এস্ট্রোনমিক্যালের একটি মহৎ ও শিক্ষণীয় উদ্যোগ। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের যারা বিজ্ঞানে আগ্রহী তাদের জন্য শিক্ষণীয়। আমাদের বিজ্ঞানবৃত্তিক যে মেলাগুলো হয় তাতে নতুন প্রজন্ম চাঁদ ও সৌরজগতের বিষয়গুলোর সঙ্গে যাতে পরিচিত হয়, আমি সেই সহযোগিতা করব।’

খাগড়াছড়ি এস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি আহবায়ক সবুজ চাকমা বলেন, ‘পূর্ণিমার চাঁদ দেখার উৎসবের মধ্যদিয়েই আজ প্রথম অগ্রযাত্রা। নতুন প্রজন্মদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তোলায় আমাদের মূল উদ্দেশ্য। চাঁদ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মানুষের মন্তব্য থাকে। সৌরজগৎ এবং সকল গ্রহ-নক্ষত্র নিয়ে আমরা ভবিষ্যতে কাজ করব। যারা পড়ালেখা জানে না তাদেরও আমরা এর আওতায় আনব। যেন মানুষ বিজ্ঞানমনস্ক হয়।’

চাঁদ দেখতে আসা ডলিপ্রু মারমা বলেন, ‘চাঁদ দেখতে বিকালে আগে ভাগে চলে এসেছি। খুব সুন্দর চাঁদ দেখেছি। আয়োজক চাইথোয়াই মারমা বলেন, ‘আমরা জেলার স্কুলে স্কুলে গিয়ে প্রর্দশনী করব। প্রতি পূর্ণিমা রাতে চাঁদ দেখার সুযোগ করে দেবো।