শিরোনাম
যানবাহন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালদক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করছেন রামগড়ের সন্তান মংসাথোয়াইসুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

মডেল মসজিদ নির্মাণে ধীরগতি

বান্দরবানের লামায় শর্ট পিলারেই দুই বছর পার, ভোগান্তিতে মুসল্লিরা

৩৬

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম,লামা ॥

বান্দরবানের লামা উপজেলা সদরে মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ দীর্ঘদিন যাবৎ বন্ধ রয়েছে। ২০১৯ সালের ৩০ অক্টোবর গণপূর্ত বিভাগের তদারকিতে এবং ইসলামী ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে মডেল মসজিদটি নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যে প্রায় দুই বছর পার হয়ে গেলেও ৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে নির্মাণ শেষ না হওয়ায় উপজেলার প্রাণ কেন্দ্রে শত শত মুসল্লিদের নামাজ আদায় এবং মুসলমানদের ধর্মীয় এবাদত করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এদিকে দুইবছর পার হলেও মডেল মসজিদ নির্মাণে মাটির নিচের অবকাঠামো এবং মাটির উপরে বিমের কাজ শেষে থমকে আছে নির্মাণকাজ। যার কারণে রডগুলো মরিচা পড়ে নষ্ট হচ্ছে। ফলে দিনে দিনে রডের কার্যক্ষমতা কমছে বহুগুণে। আর এমন দৃশ্য দেখে উপজেলার সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ আর হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, ইসলামী ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে ও গণপূর্ত বিভাগের তদারকিতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।

জানা যায়, সারাদেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণেত উদ্যোগ নেয় সরকার। ২০১৯ সালের ৩০ অক্টোবর প্রায় ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে লামা মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২০ সালের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার সরকারি ঘোষণা থাকলেও ২০২১ সালেও মাটির নিচের অবকাঠামো এবং মাটির উপরে শর্ট বিমের মধ্যে ঠেকে আছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে নারী ও পুরুষদের পৃথক অজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি গবেষণা ও দীনি দাওয়া কার্যক্রম, পবিত্র কুরআন হেফজ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজযাত্রীদের নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ ইত্যাদি ব্যবস্থা থাকবে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ২০১৯ সালে লামা কোর্ট মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলায় পাশে উপজেলা গণ-পাঠাগারের ছোট একটি কক্ষকে অস্থায়ী মসজিদ হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অস্থায়ী মসজিদটিতে সর্বোচ্চ ৫০/৬০ জন মুসল্লি গাদাগাদি করে নামাজ পড়তে পারে। কেন্দ্রীয় মসজিদ হওয়ায় পূর্বে এই মসজিদটিতে প্রতি ওয়াক্তে দুই থেকে তিন শত মুসল্লি নামাজ আদায় করত। এছাড়া জুমার নামাজ ও বিশেষ দিনে সহস্রাধিক মানুষ এই মসজিদের নামাজ আদায় করত। কিন্তু বর্তমার অস্থায়ী মসজিদ খুবই ছোট হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে দ্বীনদার মানুষ গুলো।
এ বিষয়ে ঠিকাদার আনোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ফান্ড না পাওয়ায় কাজ করতে পারছিনা। প্রকল্পের ফান্ড পাওয়া মাত্র কাজ শুরু করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজা রশীদ বলেন, শুনেছি নির্মাণ কাজে ফান্ডের ঘাটতি আছে। প্রকল্পের অর্থ ছাড় দিলে ঠিকাদার কাজ শুরু করবে।