শিরোনাম
কাপ্তাইয়ে জাতীয় যুব দিবসের সমাপনীতে ঋণে চেক বিতরণজিয়াউর রহমান দেশে রক্তপাতহিন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনেনকাপ্তাইয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনমাটিরাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনরাঙ্গামাটিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন, পতাকা উত্তোলন করেনি বহু প্রতিষ্ঠানবান্দরবানের আলীকদমে বিদ্যালয়ের মেরামত কাজে লক্ষ লক্ষ টাকা লোপাট !অবশেষে চিকিৎসাধীন পুরোহিতের মৃত্যুতে শোকপার্বত্য চট্টগ্রামে কৃষকদের উন্নয়নে সরকার আন্তরিকশিক্ষার প্রসার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মানবিক: বাঘাইহাট জোনকর্ণফুলী কলেজে তালিজোড়া দিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম, ৩৭ এর মধ্যে কর্মরত ১০ শিক্ষক

জিয়াউর রহমান দেশে রক্তপাতহিন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনেন

৭

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
বাংলাদেশের স্বাধীনতাত্তোর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবার হত্যার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশে ছিল রাজনৈতিক অস্থিরতাঢ। স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব গুরুতর সংকটে পড়েছে ঠিক তখনিই দেশের মুক্তি কামী জনতা ও জুনিয়র আর্মি অফিসার সহ সাধারন সৈনিকরা একসাথে সম্মিলিত ভাবে তৎকালীন সেনাপ্রধান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্ধী থেকে মুক্ত করেন। তৎপরবর্তী সাবেক সেনা প্রধান তথা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে রক্তপাতহিন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনেন।

শনিবার (৭নভেম্বর) সকাল ১০ ঘটিকায় “ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”, রাজস্থলীতে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগীতা, কবিতা আবৃত্তি এবং অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন বক্তারা।

ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক সুইসিংহ্লা মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রচনা প্রতিযোগীতা, কবিতা আবৃত্তি ও আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের উপর স্মৃতিচারন মুলক বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ে সম্প্রতী যোগদানকৃত সিনিয়র শিক্ষক অরুপ কুমার মুৎসুদ্দী। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক যথাক্রমে রূম্পা তঞ্চঙ্গ্যা, মং প্রু তঞ্চঙ্গ্যা, মোহাম্মদ সেলিম, শুভ্রতা বড়ুয়া, সুইনু মারমা প্রমুখ। তাছাড়া ক্যামড়া সাজ সজ্জ্বা সহযোগীতায় ছিলেন বিদ্যালয়ের সহায়ক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিকী। আলোচনা সভা শুরুর আগে শিক্ষার্থিরা রচনা প্রতিযোগীতা এবং কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেন। তার আগে সূর্যোদয়’র সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

সেদিন থেকেই ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লব বা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসাবে পালিত হয়। কিন্তু এবার ১ম বারের মতো বর্তমান সরকারের আমলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সাড়াদেশে পালিত হচ্ছে। বক্তারা আরো বলেন আজকের শিশু আগামীর বাংলাদেশ। তাই ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের পটভূমি এবং তাৎপর্য সম্পর্কে অবশ্যই জানতে হবে। এছাড়া দেশের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কেও তাদের ধারনা দিতে হবে এবং জানতে হবে। তাহলেই বিপ্লব ও সংহতি দিবসের উদ্দেশ্য এবং সাবেক সেনা প্রধান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের স্বনির্ভর বাংলাদেশ, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দেশ নেতা তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশের ঘোষনা সফল ও স্বার্থক হবে।