শিরোনাম
এক ইঞ্চি জমিরও সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না: ভূমি প্রতিমন্ত্রীহামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তদের চিকিৎসার যেন ত্রুটি না হয়- পার্বত্য মন্ত্রীরাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে ক্রীড়া সরঞ্জাম বিরতণকাপ্তাইয়ে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালতের অর্থ জরিমানাখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধনবিলাইছড়িতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপন, র‌্যালী ও আলোচনা সভাকাপ্তাইয়ে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে আহত অবস্থায় লজ্জাবতী বানর উদ্ধারযতো বেশী প্রচার ততো বেশী উপকার: যুগ্ম ও দায়রা জজখাগড়াছড়ির মানিকছড়ি ইউএনও-এসিল্যান্ডকে অপসারণের দাবিলংগদু সেনা জোনের উদ্যোগে অসহায় পরিবারদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ

এক ইঞ্চি জমিরও সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি বলেছেন, এক ইঞ্চি জমিরও সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ও সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। এখন থেকে সরকারি জমিতে অবৈধ দখলদারদের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার (২৩এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রী অফিস কক্ষে চা বাগান ব্যবস্থাপনা এবং গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩ সম্পর্কিত এক অবহিতকরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী, যুগ্মসচিব জহিরুল ইসলাম, উপসচিব মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মোঃ আশ্রাফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় হবিগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আবুল হাসেম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলার চা বাগানসমূহের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। চা বাগান ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, সারাদেশে ১৬৬টি চা বাগানের মোট ২ লাখ ৮২ হাজার ৩৪৬ একর জমির মধ্যে চা চাষযোগ্য ও অনুপযোগী জমি ও অন্যান্য ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত জমির পরিমাণ পৃথক ও সঠিক তথ্য দ্রুত প্রদান করতে হবে।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যেসকল চা বাগান থেকে বিগত ১৩ বছর সরকার কেন কোন রাজস্ব পেল না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। যারা অবৈধভাবে এ যাবৎকাল সরকারের পাওনা পরিশোধ করেনি, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত চিহ্নিত করে তাদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন এমপি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা চাই দেশের এক ইঞ্চি জমিও যাতে বেহাত না হয়। সরকারি জমি জবরদখলে রেখে রাজস্ব দেওয়া হবে না এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। ভূমি প্রতিমন্ত্রী বেদখল হওয়া জমি পুনরুদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন এমপি ‘গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩’ এর অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হন।

সভায় জানানো হয়, প্রায় ৭৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ হাজার ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এই প্রকল্পটি খুব শিগগিরই একনেক সভায় উপস্থাপিত হবে। প্রকল্পের আওতায় সমতল, উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলের জন্য পৃথক মডেলে ঘর নির্মাণ করা হবে। প্রতিমন্ত্রী এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা যাতে বঞ্চিত না হন, সেদিকে বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।