শিরোনাম
জিয়াউর রহমান-ই পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানে রূপরেখা তৈরি করেছিলেন: মীর হেলালআর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনালংগদু উত্তর ইয়ারাংছড়ি সেনামৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়বান্দরবনের লামায় মাতামুহুরী নদীতে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ ৬ ঘন্টা পর উদ্ধারমানিকছড়ির সিন্দুকছড়ি সেনা জোনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও মেডিকেল ক্যাম্পেইনকাপ্তাই শহীদ শামসুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী বিদায় সংবর্ধনাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে পাহাড় কাটার স্থান পরিদর্শনে তদন্ত কমিটিপার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় উৎসবগুলো আমাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়লংগদুতে বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনালংগদুতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

নারীর অধিকার দয়া বা করুণা নয় এটি তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

১৪

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীকে জনসম্পদে রূপান্তর এবং তাদের প্রথাগত বা অপ্রথাগতভাবে অর্থনৈতিক মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করা ছাড়া কাঙ্খিত জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব নয়।

সোমবার (২ মার্চ) চট্টগ্রামের জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার আলোকে নারীদের ক্ষমতায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ভবিষ্যতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রথা চালু করা হবে, যেখানে পরিবারের প্রধান হিসেবে নারীর নাম থাকবে। এই কার্ডের তালিকা প্রণয়নে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা থাকবে না এবং প্রশাসনের মাধ্যমে স্বচ্ছতার সাথে এটি পরিচালিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে নারীদের অবৈতনিক শিক্ষা ও পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের মাধ্যমে নারী উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। তিনি নিজের জীবনের সাফল্যের পেছনেও মায়ের ত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৪ কোটি কর্মক্ষম মানুষ বর্তমানে অর্থনীতির মূলধারার বাইরে রয়েছে। এই বিশাল অংশকে উৎপাদনশীল কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। নারীরা বর্তমানে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে হাঁস-মুরগি পালনসহ বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। নারীর অধিকার কোনো দয়া বা করুণা নয়, বরং এটি তাদের সাংবিধানিক অধিকার। সমাজের প্রতিটি স্তরে নারীদের ত্যাগের যোগ্য স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চারজন সংগ্রামী নারীকে তাঁদের সফলতার জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ইসলাম মিঞা এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন) মোঃ নাজিমুল হক উপস্থিত ছিলেন।