শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

অবৈধ অস্ত্র ও চোরাচালান বন্ধে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অপরিহার্য: বিজিবি

১০

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥
সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও চোরাচালান রোধে সাজেকে বিজিবির উদ্যোগে স্থানীয় জনসাধারনের সাথে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিউ থাংনাং ও বেথলিং পাড়ার বাসিন্দাদের নিয়ে আয়োজিত এ সভায় স্থানীয় জনগণকে সীমান্ত নিরাপত্তায় সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বাঘাইহাট ব্যাটালিয়নের ৫৪ বিজিবির নিউ থাংনাং বিওপির নায়েব সুবেদার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন নায়েব সুবেদার সাইফুল ইসলাম, ল্যান্স নায়েক আব্দুল কাদের, সিপাহি রাসেল আহমেদসহ বিজিবির অন্যান্য সদস্যরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন নিউ থাংনাং পাড়ার কার্বারি জয়ন্ত চাকমা, বেথলিং পাড়ার কার্বারি মংলা চাকমা, স্থানীয় যুবক নেতা সুজন ত্রিপুরা, শিক্ষক রবিন্দ্র চাকমা প্রমুখ।

নায়েব সুবেদার সাইফুল ইসলাম বলেন, সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা শুধু বিজিবি’র দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের সবার দায়িত্ব। অবৈধ অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান বন্ধে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অপরিহার্য। আপনারা যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তৎক্ষণাৎ বিজিবিকে জানানোর আহ্বান করেন। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী হিসেবে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। কোনো অপরিচিত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি এলাকায় অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত হতে চায়, তাদের কোনোভাবেই আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।

স্থানীয় যুব নেতা সুজন ত্রিপুরা বলেন, এলাকার যুবকদের উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। বিজিবির এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি এখানকার মানুষের অনেক সাহায্য করছে। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে আমাদের এলাকা থেকে কোনো অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হবে না। শিক্ষক রবিন্দ্র চাকমা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করতে আমরা শিক্ষকরাও দায়িত্বশীল। দেশপ্রেম ও সীমান্ত নিরাপত্তা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করা আমাদের দায়িত্ব।