শিরোনাম
সুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই

রাঙ্গামাটিতে গুর্খা সম্প্রদায়ের ‘ভৈল-ঢেওসি’ উৎসব

১৫

॥ মনু মারমা ॥
রাঙ্গামাটি পার্বত্য অঞ্চলের বসববাসরত নেপালের বংশোদ্ভূত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি গুর্খা সম্প্রদায়ের দেওয়ালী পুজা (কালি পূজা) উপলক্ষ্যে ২দিন ব্যাপী ঐতিহবাহী ‘ভৈল-ঢেওসী’ উৎসব বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে উদযাপিত হয়েছে।
দেওয়ালী পুজা (কালিপূজা) সামনে রেখে গেল সোমবার ও মঙ্গলবার দুইদিন ব্যাপী নেপালের বংশোদ্ভুত গুর্খা সম্প্রদায় সুদীর্ঘকাল থেকে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে এই উৎসব পালন করে আসছে। উৎসবের প্রথম দিনকে ‘ভৈল’ ও দ্বিতীয় দিনকে বলা হয় ‘ঢেওসি’। গুর্খা সম্প্রদায়ের আবাল, বৃদ্ধ, বনিতা সবাই এই উৎসবে মেতে উঠে।
এই দুইদিন গুর্খারা সন্ধ্যার পর পাড়ায় পাড়ায় মানুষের বাসা-বাড়িতে গিয়ে বাঁশের লাঠি হাতে মাটিতে ঠুকিয়ে সুরের তালে তালে কবিতার ছন্দে গান গেয়ে শুভেচ্ছা উপহার চাউল, টাকা, তরিতরকারী, বিশেষ পানীয়, সংগ্রহ করে থাকে। এই সময় নাচ-গানসহ ঘরে ঘরে মোমবাতির আলো জ্বালিয়ে ও রাতভর আনন্দে মেতে থাকে।

এরপর সবাই মিলে বনভোজনের আয়োজন করে থাকে। দ্বিতীয় দিনে ভাই টিকা দেয়া হয়। দধিতে চাউল মিশিয়ে ভাই বোন একে অপরকে তাজ পাড়িয়ে দেয়ার মধ্যদিয়ে শেষ হয় দুদিন ব্যাপী ঐতিহবাহী ‘ভৈল-ঢেওসী’ উৎসব।
রাঙ্গামাটি শহরের জেলা রোড পাড়া, মাঝেরবস্তি, আসামবস্তি ও গর্জনতলীসহ অন্যান্য পাড়া মহল্লায় নেপালের বংশোদ্ভুত গুর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ ‘ভৈল-ঢেওসি’ উৎসবে মেতে উঠতে দেখা যায়। দেওয়ালী পূজা (কালি পূজা) সামনে রেখে জেলায় বসবাসকারী নেপালের বংশোদ্ভুত গুর্খা সম্প্রদায়ের মানুষরা সুদীর্ঘকাল থেকে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে এই ‘ভৈল-ঢেউসি’ উৎসব পালন করে আসছেন।