শিরোনাম
সুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই

কাপ্তাই জোন কমান্ডার পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও মতবিনিময় করেন

১২

॥ কাপ্তাই উপজেলা প্রতিনিধি ॥
কাপ্তাই লগগেইট শারদীয় দুর্গাপূজা জয় কালী মন্দিরের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রাঙ্গামাটি রিজিওনের কাপ্তাই জোন কমান্ডার। বুধবার (১অক্টোবর) সকাল ১১টায় তিনি উক্ত মণ্ডপ ঘুরে পূজার সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

কাপ্তাই জোন কমান্ডার পূজার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলার অবস্থা পর্যালোচনা করেন। পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই জোন এর জোনাল স্টাফ অফিসার, সার্কেল এসপি ও অফিসার ইন চার্জ কাপ্তাই পুলিশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি, কাপ্তাই উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। একই সাথে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কাপ্তাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। কাপ্তাই জোন কমান্ডার উক্ত পূজা মণ্ডপে গিয়ে স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পূজা চলাকালীন যেকোন বিশৃঙ্খলা রোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান এবং তাৎক্ষণিক সহায়তার ব্যাপারে আশ্বস্ত করে তিনি সকলকে নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে পূজা উদযাপনের আহ্বান জানান। দূর্গাপূজা কেবল হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি আমাদের দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

উল্লেখ্য, এ বছর কাপ্তাই উপজেলায় মোট ৭ টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে হাজারো ভক্ত-দর্শনার্থী অংশ নিচ্ছেন। প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণও সম্প্রীতি সভা গঠনের মাধ্যমে পূজা উদযাপনে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছেন যাতে এই মহোৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।