শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়ন প্রকল্পের স্কিমগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে: পার্বত্য সচিবআসলে দেখার কেউ নেই, এখন ধর্মীয় অনুষ্টানের সময়ও পানি কিনতে হচ্ছেদুর্গম এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ পানির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবেএশিয়ান জিমন্যাস্টিকসের মঞ্চে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্টজলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়েজয় পরাজয় থাকবে তবে মানুষের মাঝে মিলন মেলা আর বন্ধুত্বের জয় হবে: লে. কর্ণেল মীর মোরশেদОткройте для себя мир азарта в Казино Пин-ап с большими деньгами!আগামী পাঁচ বছরে ৫ লক্ষ বৃক্ষরোপণ করবে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডখাগড়াছড়ির রামগড়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধনলংগদু রাজনগর বিজিবি জোনের পক্ষে সোলার প্যানেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ

পূজোর টানা ছুটিতে ভ্রমণপ্রেমীদের গন্তব্য এখন বান্দরবানের থানচি

১৫

॥ চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ॥
দুর্গোৎসব ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলে টানা চারদিনের সরকারি ছুটিতে বান্দরবানের থানচিতে সব হোটেল-মোটেল ও কটেজগুলোতে ভ্রমণপিপাসুদের আগাম বুকিং চলছে। চার দিনের টানা ছুটিতে বিভিন্ন শহরে থেকে ভ্রমণপ্রেমীদের গন্তব্য এখন থানচি। স্বাভাবিক অন্যান্য দিনের কম পর্যটক প্রবেশ করলেও কয়েকদিন ছুটির কারণে বেশ ব্যাপক আকারে ভ্রমণ পিপাসুদের সাড়া মিলেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তারা জানান, বছরজুড়ে কম বেশি পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে থানচির তুমা-তুঙ্গী ও পাথুরে দেশ তিন্দু। সেখানে এবারে সরকারি বিশেষ ছুটির দিনে ভ্রমণপিপাসুদের পদচারণা বাড়বে বহুগুণ। আর্থিক সংকটের অনেকটাই পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে পাবেন পর্যটন শিল্পের সংশ্লিষ্টদের। টানা ছুটি কারণে পর্যটকদের আগমনে হোটেলগুলো বুকিং হচ্ছে, পর্যটন শিল্পের খাতের আর্থিকভাবে মন্দভাব থেকে স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।

জানা গেছে, দেশের ১ অক্টোবর (বুধবার) মহানবমী ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি ২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত তবে শুক্রবার ও শনিবার সরকারি ছুটি ৩-৪ অক্টোবর তাই চার দিনের ছুটিতে থাকবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি চাকরিজীবীরা।

একদিকে থানচির তুমা-তুঙ্গী ও তিন্দু পর্যন্ত আংশিক পর্যটন স্পটের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও নৈসর্গিক সৌন্দর্যের পর্যটনখ্যাত ঙাফাখুম, রেমাক্রী খুম, সাতভাই খুম, ভেলাখুম ও মদকের ঙাহ্রেসা ম্রহ:সহ অন্যান্য পর্যটনগুলো এখনো নিষেধাজ্ঞার বহাল থাকছেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সেসকল পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেয়ার দাবি করে আসছে সংশ্লিষ্টরা।

থানচি হোটেল ডিসকভারের ম্যানেজার আলফাত্তা হক ও মেঘবতি রিসোর্টে স্পনসর কোকোচিং মারমা জানান, বর্তমানে তাদের এলাকায় ১৫টি হোটেল রিসার্ট রয়েছে। কয়েক বছর পরে এবারে মৌসুমে কাঙ্ক্ষিত পর্যটকের সাড়া পেয়েছেন। আগামী ১-৩ অক্টোবর পর্যন্ত এসব হোটেলের কক্ষ আগাম বুকিং করেছেন ভ্রমণপিপাসু তারা।

অন্যদিকে ভ্রমণপিপাসু পর্যটক কয়েকজনে সাথে কথা হলে তারা জানান, থানচিতে ভ্রমণে শুধু আংশিকভাবে সীমাবদ্ধতা না রেখে পরিস্থিতি বিবেচনায় করে নৈসর্গিক সৌন্দর্যের পর্যটনখ্যাত স্পটগুলো পুরোদমে খুলে দিলে পর্যটক সমাগম বাড়বে।

থানচি থানার অফিসার (ওসি) মোঃ নাছির উদ্দিন মজুমদার জানান, এবারে টানা ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুদের আগমনে বেশি হবে। তাদের নিরাপত্তার বিবেচনায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশের সেবাদানে সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে।