শিরোনাম
সুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই

কাপ্তাই হ্রদের পানি কমাতে রাঙ্গামাটির সচেতন নাগরিক ঐক্যের আল্টিমেটাম

২১

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
কাপ্তাই হ্রদের তীরবাসী হাজারো মানুষের জনদূর্ভোগ লাগবে দ্রুত হ্রদের পানির উচ্চতা কমনোর জন্য ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে রাঙ্গামাটি সচেতন নাগরিক ঐক্য। বৃহষ্পতিবার (২৫সেপ্টেম্বর) সকালে এই সংগঠনের ব্যানারে রাঙ্গামাটির সাধারণ জনগণের পক্ষে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

এ সময় রাঙ্গামাটি সচেতন নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়ক জুই চাকমা, ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, পলাশ চাকমা, নুরুল আবচার, শাখাওয়াত হোসেন, মোঃ বাদশা সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কাপ্তাই হ্রদে দীর্ঘদিন যাবত ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা না হওয়ায় তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। হ্রদ সৃষ্টির সময় হ্রদের পানির ধারণ ক্ষমতা ছিল ১০৯ ফিট। কিন্তু ক্রমান্বয়ে তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৫ থেকে ১০৬ ফিট হলেই পানির উচ্চতা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এতে বর্ষা মৌসুমে রাঙ্গামাটি পৌর এলাকাসহ লংগদু, বাঘাইছড়ি, বরকল, বিলাইছড়ি ও জুরাছড়ি উপজেলার হাজার হাজার বসতঘর ও বিস্তীর্ণ এলাকা জুরে ফসলী জমি পানিতে তলিয়ে যায়।

চলতি বছরও অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় প্রায় দুইমাস যাবত হাজার হাজার মানুষের বাসাবাড়ি পানিতে তলিয়ে আছে। এতে মানুষের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌছেছে। পানিবন্দি মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা, কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিতে ডুবে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়াও গত দুইমাস যাবত হ্রদের পানিতে ডুবে আছে রাঙামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ঝুলন্ত সেতু। যার ফলে রাঙ্গামাটির পর্যটন ব্যবসায় ধ্বস নেমেছে। আসন্ন দূর্গাপুজা উপলক্ষে টানা ১০ দিনের ছুটি থাকলেও পর্যটকদের আকর্ষণীয় ঝুলন্ত সেতুটি পানিতে ডুবে থাকায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা চরমভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

এসময় জনগণের দূর্ভোগ লাগবে এবং পর্যটন ব্যবসার ধ্বস ঠেকাতে আগামী ৩ দিনের মধ্যে কাপ্তাই হ্রদের পানি কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আনার আল্টিমেটাম দেয়া হয়। অন্যথায় ভুক্তভোগী সাধারণ জনতাকে সাথে নিয়ে আরো জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারী দিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। স্মারক লিপিটি জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জোবায়দা আক্তার গ্রহন করেন।