শিরোনাম
সেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনজুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বানজাতীয়তাবাদী দল জনগণের লক্ষ্য বাস্তবায়নেই কাজ করে যাচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

নাইক্ষ্যংছড়িতে টাস্কফোর্সের অভিযানে ৫ লাখ টাকার সেগুন কাঠ জব্দ

১৩

পাঁচ স’মিল মালিককে ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা
॥ মু. মুবিনুল হক মুবিন, নাইক্ষ্যংছড়ি ॥
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে যৌথ টাস্কফোর্স অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (২জুলাই) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নাইক্ষ্যংছড়ি সদর এলাকার কেজি স্কুলসংলগ্ন এলাকায় চালানো অভিযানে ১৬৬ ঘনফুট সেগুন কাঠ উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

অভিযানটি পরিচালনা করেন নাইক্ষ্যংছড়ির সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসরাত জাহান ইতু এবং ১১ বিজিবির সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন। এতে অংশ নেয় ১১ বিজিবি, নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশ, বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বনবিটের কর্মকর্তারা।

অভিযানে পাঁচটি স’মিলে লাইসেন্সবিহীন কাঠ মজুদের প্রমাণ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন, বনসম্পদ রক্ষায় বিজিবি সবসময় তৎপর। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অবৈধ কাঠ পাচার ও মজুদকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসরাত জাহান ইতু বলেন, বন আইন অনুযায়ী কাঠ সংরক্ষণের লাইসেন্স না থাকায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়েছে এবং জব্দকৃত কাঠ যথাযথ প্রক্রিয়ায় বনবিভাগে জমা দেওয়া হচ্ছে।”

নাইক্ষ্যংছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক সরকার জানান, এসব সেগুন কাঠগুলো দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিভিন্ন স’মিলে মজুদ করে রাখা হয়েছিল। তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে পরিবেশ ও বন আইনে মামলা দায়েরের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।”

উল্লেখ্য, বন বিভাগের অনুমোদন ছাড়া সেগুন কাঠ সংরক্ষণ ও পরিবহন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। জব্দকৃত কাঠ বনবিভাগে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।