শিরোনাম
সেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনজুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বানজাতীয়তাবাদী দল জনগণের লক্ষ্য বাস্তবায়নেই কাজ করে যাচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

বান্দরদবানের আলীকদমে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

১৪

॥ সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, আলীকদম ॥
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার মংচিং হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সোমবার (৫মে) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন, রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চৈক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য জনাব সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমদ, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ এরশাদ মিয়া ও সাংবাদিকবৃন্দ।

তিনি নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বিদ্যালয়ের এই সাফল্যের জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। বক্তারা প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়াও আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সমাজে নারীর ভূমিকা ও অধিকারের উপর আলোকপাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এ বিদ্যালয়টি ১৯৬৫ সালে স্থাপিত হয়। বিদ্যালয়টি ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে বান্দরবান জেলায় শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করায় অনুষ্ঠানটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। মংচিং হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে বান্দরবান জেলায় শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচিত হওয়ায় এলাকায় শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এই ধরনের উদ্যোগ প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।