শিরোনাম
রামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত

গ্রাফিতি মুছে দেয়ার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সমাবেশ

৫৪

॥ খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥
পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদী গ্রাফিতি অঙ্কনে বাধা প্রদান এবং মুছে দেয়ার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৬ আগস্ট ২০২৪) খাগড়াছড়িতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। পাহাড়ী (আদিবাসী) ছাত্র সমাজের উদ্যোগে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ গেইট থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে চেঙ্গী স্কোয়ারে এসে শেষ হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে এবং এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখেই থামবে না। বক্তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে। তারা পার্বত্য জেলা পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত করে পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সকলের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানান। এছাড়া, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদানের প্রয়োজনীয়তার কথাও জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী উত্তম ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জেকি চাকমা, জেসিকা চাকমা সহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন। তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল আঞ্চলিক সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। বক্তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি এখনো পূরণ হয়নি। শিক্ষার্থীরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তারা এই আন্দোলন অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাবে।