শিরোনাম
সুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই

খাগড়াছড়িতে রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের বার্ষিক উৎসব পালন

১২৫

॥ দহেন বিকাশ ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি ॥
খাগড়াছড়ি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে বিশেষ প্রার্থনা, ধর্মীয় সংগীত ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বার্ষিক উৎসব উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার (২২ডিসেম্বর) সকাল থেকে সেবাশ্রম প্রাঙ্গণে সমবেত প্রার্থনা ও ধর্মীয় সংগীতের আয়োজন করা হয়। ধর্মীয় আচার রীতি শেষে দুপুরে আশ্রম প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী। আলোচনা সভায় খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শানে আলম, চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রমের সহ-সম্পাদক তাপস হোড়, সদস্য আশুতোষ সরকার, চট্টগ্রামের দত্ত এন্ড কোং এর স্বত্বাধিকারী ও চার্টার্ড একাউন্টেন্টস রত্না দত্ত, বাংলা একাডেমি পুরষ্কারপ্রাপ্ত লেখক ও গবেষক প্রভাংশু ত্রিপুরা।

এসময় খাগড়াছড়ি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের উত্তম কুমার সরকার এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সভাপতি ভূবন মোহন ত্রিপুরা। সভাশেষে শতাধিক শীতার্তদের মাঝে শীতকম্বল তুলে দেন অতিথিরা। এরপরে খাগড়াছড়ির ধীনা ড্যান্স একাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও উপস্থিত সকলের মাঝে বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ধর্মীয় অনুশাসন ও আচার রীতি শিখতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিকল্প নেই। প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে প্রতিটি মানুষকে ধর্মীয় শিক্ষা শেখা অপরিহার্য উল্লেখ করে অদূর ভবিষ্যতে পাহাড়ের এই সেবাশ্রম পূণ্যার্থীদের তীর্থভূমিতে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।