শিরোনাম
সুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই

আইন অমান্য করলে উচ্ছেদ অভিযান দ্রুত পরিচালনা করা হবে

বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের সরকারি জায়গা দখল করে বসতঘর তৈরি

৭৮

॥ আকাশ মারমা মংসিং,বান্দরবান ॥

বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের লম্বা রাস্তা নামক স্থানে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গায় দখল করে দুটি বসত ঘর তৈরি করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব জায়গা সড়ক ও জনপথ বিভাগের বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, জনৈক বগুড়ার বাসিন্দা ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী মোঃ সেলিম ও নুর মোহাম্মদ নামে অপর এক ব্যক্তি এসব বসত ঘর তৈরি করেন। তাদের এই কর্মকান্ডের কারনে প্রশাসন থেকে একাধিকবার নোটিশ দিলেও তারা কোন পাত্তাই দিচ্ছেন না। সড়কের পাশে এইভাবে অবৈধ স্থাপনা বাড়তে থাকলে উচ্ছেদের সময় বিভিন্ন সমস্যা সম্মুক্ষীন হবে বলে স্থানীয় সুশীলসমাজ ও জনপ্রতিধিরা মতামত ব্যক্ত করেছেন।

সরেজমিনে দেখা দেখা গেছে, বগুড়া বাসিন্দা ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী মোঃ সেলিম বান্দরবান- কেরানিহাট সড়কের পাশে গড়ে তুলেছেন দোকানসহ দুটি ঘর। ব্যবসার নামে গড়ে তুলেন একটি দোকান পরবর্তিতে আরো একটি বসতঘর তুলেছেন সরকারি জায়গায়। তাছাড়া সড়ক ও জনপদের এক কর্মকর্তা মামুন নামের এক ব্যক্তি নামও বিক্রি করছেন তিনি। অন্যদিকে একই সড়কের নুর মোহাম্মদ নামে অপর ব্যক্তি অবৈধ গাছের চোরাচালানের ব্যবসা ও খালের বালু উত্তোলনের পেশায় জড়িত রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তিনিও সড়কের পাশে সরকারি জায়গায় গড়ে তুলছেন একটি দালান ঘর। তাকে ঘর না করার জন্য সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর থেকে নোটিশ দেওয়ার পরও দালান ঘর তৈরির কাজ চলমান রেখেছেন। সড়কের পাশে নিজ সম্পত্তি বলে লাগিয়েছেন সাইবোর্ডও। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আদেশ ও আইন অমান্য করে এমন কাজে ক্ষুদ্ধ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রাও।

আরোও দেখা গেছে, শুধু কেরানিহাট সড়কের পাশেই দখল নয়, পুরো বান্দরবান জেলায় সড়কের পাশে অনেকেই গড়ে তুলেছেন অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। রয়েছে দখলদারদের একটি চক্র। হাফেজ ঘোনা, সেগুন বাগিচা, কালাঘাটা, রুমা ও থানছি ষ্টেশনসহ আরো রয়েছে দোকান পাট ও বসতঘরে অবৈধ দখল। যার ফলে উচ্ছেদ এর সময় এসব দখলদারদের সাথে বাধে সংঘর্ষ। তাছাড়া উচ্ছেদ অভিযান কয়েক বছর আগে করলেও এখনো স্থগিত থাকার ফলে সড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক ওই এলাকার বাসিন্দারা জানান, ওই এলাকার মানুষজন বসবাস করেন নিজ জায়গায় আবার কেউ বিভিন্ন মালিকানাধীন ভাড়া জায়গায়। সরকারি জায়গা দখল করে ঘর তৈরির ইচ্ছে নাই বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে বাইরে থেকে এসে কিভাবে সরকারি জায়গা দখল করে ঘর বেধেছে সেই ব্যপারে প্রশ্ন জনমনে। তাছাড়া এসব দখলদারের বিরুদ্ধে ভয়ে কথা বলার সাহস পাচ্ছেন তারা ।

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিনারুল হক বলেন, বিভিন্ন সময়ের প্রশাসনের জায়গায় ও সড়ক ও জনপদের জায়গা গুলো একটি চক্র দখল অবৈধ স্থাপনা করে আসছে। এতে বারবার নোটিশ দেওয়ার পরও পরবর্তীতে আর উচ্ছেদ হচ্ছে নাহ।

বান্দরবান সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরে উপ-প্রকৌশলী মোসলেহ উদ্দিন বলেন, সড়কের পাশে সরকারি জায়গায় দখলদারদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যাতে এক সপ্তাহ মধ্যে নিজ স্বেচ্ছায় সেসব জায়গায় খালি করে দেয়। আইন অমান্য করলে উচ্ছেদ অভিযান দ্রুত পরিচালনা করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।