শিরোনাম
সুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের খসড়ায় লাইসেন্স গ্রহণের সিদ্ধান্তে রাঙ্গামাটিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ

১১৪

॥ মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম ॥

ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনের প্রস্তুতকৃত খসড়া আইন প্রণয়নে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রস্তাবিত আইনে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অন্তর্ভূক্ত করার দাবী জানিয়েছেন রাঙামাটির ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা।

রবিবার (৩১ জুলাই) রাঙ্গামাটিতে এক সংবাদ সন্মেলনের মাধ্যমে জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি (নাসিব) জেলার শাখার নেতৃবৃন্দ এ দাবী জানান।

রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি মিলনায়তনের সম্মেলনে কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন

জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি (নাসিব) জেলা শাখার সভাপতি বিপ্লব চাকমা। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ, নাসিব রাঙ্গামাটির সহ-সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো কোম্পানি এরিয়া ম্যানেজার জহিরুল ইসলামসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা।

সংবাদ সন্মেলনে আরও বলা হয় খসড়া আইনে কিছু ধারা অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে যা নিম্ন আয়ের বিক্রেতাদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে লাইসেন্স গ্রহণের সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক দাবী করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন- খুচরা বিক্রেতারা পাড়া-মহল্লায় দৈনন্দিন জীবনে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে চা-বিস্কুটের পাশাপাশি পান-সিগারেটও বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। কিন্তু সংশোধিত আইন অনুযায়ী তাদের লাইসেন্সধারী হতে হলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক কার্যকলাপকে আরও বেশি অস্থিতিশীল ও অনিশ্চিত করে তুলবে। যার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব পড়বে জাতীয় অর্থনীতিতে বলে দাবী করা হয়।