শিরোনাম
এশিয়ান জিমন্যাস্টিকসের মঞ্চে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্টজলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়েজয় পরাজয় থাকবে তবে মানুষের মাঝে মিলন মেলা আর বন্ধুত্বের জয় হবে: লে. কর্ণেল মীর মোরশেদОткройте для себя мир азарта в Казино Пин-ап с большими деньгами!আগামী পাঁচ বছরে ৫ লক্ষ বৃক্ষরোপণ করবে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডখাগড়াছড়ির রামগড়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধনলংগদু রাজনগর বিজিবি জোনের পক্ষে সোলার প্যানেল ও সেলাই মেশিন বিতরণকাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসের ৯ বছর, এখনোও ঝুঁকিতে ৫শত পরিবারكيفية حل المشكلات الشائعة في وان اكس بت للايفونЛучшие способы скачать 1хбет приложение для ставок на Android

লামায় ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

৫২

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তারের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসায় তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ১৮ আগস্ট বুধবার সকাল ৮টায় আজিজনগর জেনারেল হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল নিয়ে যাওয়ার পথে শিশুটির মৃত্যু হয় বলে জানায় তার বাবা। শিশুটির নাম ইয়াছিন আরাফাত (৩)। সে চকরিয়া উপজেলার মাইজ কাকারা এলাকার বেলাল হোসেন এর ছেলে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, শিশুটিকে হার্নিয়ার অস্ত্রোপাচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল চকরিয়ার মালুমঘাট হাসপাতালে। পথে এক দালালের খপ্পরে পড়ে ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে অস্ত্রোপাচার করাবে বলে নিয়ে আসে লামার আজিজনগর জেনারেল হাসপাতালে। কথা মতো চুক্তি হয় আজিজনগর জেনারের হাসপাতালের ডাক্তার জেমস ইটেনের সাথে। কোন এ্যানেসথিওলজিস্ট ছাড়াই ১৭ আগস্ট বিকাল ৫ টায় অস্ত্রোপাচার করেন ডাক্তার জেমস ইটেন। তাতেই শেষ নয়। যেখানে তিন বছরের এই শিশুটিকে অস্ত্রোপাচারের পর ক্লিন্ডামাইসিন ইনজেকশন ফর্ম ব্যবহার করাটা উচিত ছিল সেখানে ক্লিন্ডামাইসিন ক্যাপসুল ব্যবহার করেছেন যার কারনে এই ক্যাপসুল গলা শ্বাস নালিতে আটকে শিশুটির মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের সামনে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে আজিজনগর পুলিশ ক্যাম্পের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।

শিশুটির বাবা মোঃ বেলাল বলেন, ‘১৮ আগস্ট সকাল বেলা তিন বছরের এই ছোট্ট শিশুটিকে যখন এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় সাথে সাথে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। হাসপাতালে দ্বায়িত্বরত ডাক্তার এবং নার্সরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েও অবস্থার অবনতি হওয়ায় জরুরীভাবে শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। কিন্তু ঐখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষনা করে।

শিশুটির নানি বলেন, ‘সকাল সাড়ে সাতটা বাজে আমার নাতিকে হাসপাতালের একজন নার্স এসে জোর করে নাক চেপে ধরে এই ক্যাপসুলটি খাওয়ায় দেয় এবং খাওয়ানোর পর পরেই তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়। তিন বছরের বাচ্চাকে ক্যাপসুল খাওয়াতে আমি জীবনেও দেখিনি।’

লামা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মহিউদ্দিন মাজেদ চৌধুরী বলেন, ‘এটা অবশ্যই ভুল চিকিৎসা। বাচ্চাটিকে ক্যাপসুল না দিয়ে ইনজেকশন ফর্ম ব্যবহার করতে পারতো। তাছাড়াও এ্যানেসথিওলজিস্ট ছাড়া কোন ভাবে এই হার্নিয়া অস্ত্রোপাচার সম্ভব না। যদি করে থাকে সেটাও অপরাধ।

বান্দরবানের সিভিল সার্জন অংসুই প্রু মারমা বলেন, ‘এই হাসপাতালের নামে অসংখ্য অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। হাসপাতালটির কোন অনুমোদন নেই। তবে জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু যথেষ্ট অনিয়ম ধরা পড়াতেই তাদেরকে অনুমোদন দেওয়া হয়নি। খুব শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’