শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়ন প্রকল্পের স্কিমগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে: পার্বত্য সচিবআসলে দেখার কেউ নেই, এখন ধর্মীয় অনুষ্টানের সময়ও পানি কিনতে হচ্ছেদুর্গম এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ পানির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবেএশিয়ান জিমন্যাস্টিকসের মঞ্চে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্টজলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়েজয় পরাজয় থাকবে তবে মানুষের মাঝে মিলন মেলা আর বন্ধুত্বের জয় হবে: লে. কর্ণেল মীর মোরশেদОткройте для себя мир азарта в Казино Пин-ап с большими деньгами!আগামী পাঁচ বছরে ৫ লক্ষ বৃক্ষরোপণ করবে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডখাগড়াছড়ির রামগড়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধনলংগদু রাজনগর বিজিবি জোনের পক্ষে সোলার প্যানেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় কৃষিখাতে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন খামারে ডিভাইস স্থাপন

১১

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় কৃষিখাতে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন এবং প্রান্তিক খামারিদের স্বাবলম্বী করে তুলতে ঝঢ়বপরধষ চৎড়মৎধস–উবাবষড়ঢ়সবহঃ অমৎরপঁষঃঁৎব প্রকল্পের আওতায় ওহঃবৎহবঃ ড়ভ ঞযরহমং ডিভাইস বিতরণ ও স্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০এপ্রিল) সকালে মাটিরাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় এ বিতরণ ও সংযোগ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। প্রাণিসম্পদ খাতের আওতায় ভূঁইয়া পাড়া, পশ্চিম মুসলিম পাড়া ও একটি যৌথ খামারে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় তিনজন নারী উদ্যোক্তার মাঝে ডিভাইস প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে আনোয়ারা বেগমকে পোল্ট্রি খামার, ইয়াসমিন আক্তারকে ডেইরি গরুর খামার এবং সুলতানা আক্তারকে লেয়ার মুরগির খামারের জন্য এ প্রযুক্তি সহায়তা দেওয়া হয়।

ওউঋ-এর প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ আধুনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে ডেইরি, লেয়ার ও ব্রয়লার খামারগুলোতে প্রযুক্তির ব্যবহার শুর হয়েছে। ফলে খামারিরা এখন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই খামারের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন। পাশাপাশি মোটর পাম্প, ফ্যান ও লাইটও দূর থেকেই পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

এতে খামার পরিচালনায় সময় ও অর্থের অপচয় কমছে এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষ ও আধুনিক হচ্ছে। খামারে সরাসরি উপস্থিত না থেকেও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হওয়ায় খামারিরা উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাচ্ছেন। একই সঙ্গে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে গবাদিপশু ও মুরগির যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা যাচ্ছে।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, পার্বত্য অঞ্চলে কৃষিকে আধুনিক ও স্মার্ট করে গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর এ কার্যক্রম খামারিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।