শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

বান্দরবানের থানচিতে ভবন নির্মাণ শেষ না হওয়ায় বৌদ্ধ বিহারে চলছে পাঠদান

১০

॥ চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ॥
বান্দরবানের থানচিতে নারিকেল পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে ধীরগতি। পুরো আড়াই বছর ধরে কাজ চলছে এরমধ্যেও দফায় দফায় চললেও বর্তমানে কয়েক মাস ধরে কাজ বন্ধ। এরই মধ্যে শ্রেণীকক্ষের অভাবে পাশের বৌদ্ধ বিহারের নিচতলায় খোলা ফ্লোরে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

স্থানীয়রা জানান, নতুন ভবনে নির্মাণাধীনে নারিকেল পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নিচতলার খোলা ফ্লোর এখন অস্থায়ী স্কুল। মেঝেতেই ক্লাস করে শিশু শিক্ষার্থীরা, বৃষ্টি, রোদ সহ সব ঋতুতেই পড়তে হয় খোলা পরিবেশে। অস্থায়ী স্কুলের শিক্ষার্থীদের পাঠদানে দুর্ভোগ হচ্ছে, কষ্ট হচ্ছে শিক্ষকদেরও। তাই স্কুল ভবন নির্মাণের দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে দাবি জানিয়েছে স্থানীয়দের।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে স্কুলটি জাতীয়করণ করা হয়। পরে ঝুঁকিপূর্ণ টিনশেড ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন ২০২২ সালে জুন মাসের। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান স্কুলের ভবন নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে কথা থাকলেও আড়াই বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে এখনো ভবনের নির্মাণ অপূর্ণ রয়েগেছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, নারিকেল পাড়া সরকারি স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণাধীন থাকায় বৌদ্ধ বিহারে নিচতলায় খোলা ফ্লোরে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। সেখানে নেই পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা এবং নেই নিরাপদ পরিবেশ।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানান, ২০২২ সালের জুনে শুরু হয় এই দুইতলা ভবন নির্মাণের কাজ। বছর দেড় নয় পুরো আড়াই বছর পেরিয়ে গেলেও কাজের অগ্রগতি একেবারে ঢিমেতালে। প্রতিশ্রুতি ছিল দ্রুত শেষ হওয়ার। কিন্তু ঠিকাদারের প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে এগোয়নি কাজ। শুরু থেকে দফায় দফায় বন্ধ রেখে শেষ পর্যায়ে এসেও এখন কয়েক মাস ধরে পুরোদমে বন্ধ রয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সোনা মিত্র চাকমা জানান, স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণধীন কাজ বেশ কিছুদিন যাবৎ বন্ধ ছিল। ফলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পরিবেশ পাচ্ছে না, দ্রুতভাবে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে এলজিইডি অধিপ্তরের অনুরোধ করা হয়েছে। এবিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অভিহিত করা হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোঃ আবু হানিফ জানান, জুনের শেষের দিকে দায়িত্ব পেয়েছি, অবশ্যই স্কুল ভবনের কাজ বন্ধ ছিল। এর আগে শেষ হওয়ার কথা, কিন্তু হয়নি। তবে নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যেই ঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।