শিরোনাম
বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে ‘চলো স্কুলে যাই’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিতবাঘাইছড়িতে সেনা সহায়তায় চোখ অপারেশনে চট্টগ্রাম গেলেন ১৭ রোগীরামগড়ে বিজিবির অভিযানে সীমান্তে গরু রেখে পালিয়েছে চোরাকারবারিসচিবের ভাই পরিচয়ে রামগড়ে ইউএনওর নিকট লাখ টাকা দাবী, প্রতারক আটকসেনাবাহিনীর উদ্যোগে বাঁশের সাঁকোতে স্বস্তি লক্ষ্মীছড়ির ছয় পাড়ার মানুষেরখাগড়াছড়ির রামগড়ে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যুলক্ষ্মীছড়ির দুর্গম জনপদে সেনাবাহিনীর শিক্ষা উপকরণ বিতরণবন্যা ও ভূমিধসে রোয়াংছড়িতে ক্ষতিগ্রস্ত ৬শত পরিবার পাচ্ছেন নগদ অর্থের সহায়তাবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ধান চাষ করে কৃষকের মাথায় হাতকাপ্তাই কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে নেমে পর্যটক নিখোঁজ

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অনাখাঙ্খিতভাবে শিশুর মৃত্যু

॥ মোঃ কবির হোসেন, কাপ্তাই ॥
জেলার কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নে এক শিশুর গলায় গামছা পেছিয়ে অনাখাঙ্খিতভাবে মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। সোমবার বিকালে শিশুটি নিজ ঘরে খেলা করার সময় এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রগুলো জানায়, ঘটনার দিন উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের পাগলিপাড়াস্থ নিজ ঘরে প্রতিদিনের মতো দোলনায় খেলছিল আর্দশী তনচংগ্যা (৫)। এসময় দোলনায় চড়তে চড়তে একসময় গামছা পেঁচিয়ে যায় তার গলায় এতে শিশুটি কাউকেই ডাকদিতে পারেনি কেননা ততক্ষনে তার শ্বাসরোধ হয়ে গেছে। ঘরে পরিবারের অন্যরা কেউ ছিল না এ অবস্থায় শিশু আর্দশী তনচংগ্যা’র মৃত্যু হয়ে যায়। নিহত আর্দশী তনচংগ্যা তপন বিকাশ তনচংগ্যার মেয়ে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার অনেক পরে তার বড় বোন বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুইহ্লা অং মারমা জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। উক্ত ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ঘটনার
খবর পেয়ে কাপ্তাই থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল জানান, প্রতিদিনের মতো আর্দশী নিজ ঘরে গামছা দিয়ে তৈরি দোলনায় খেলছিল। এ সময় তার বাবা-মা জুম চাষের কাজে পাহাড়ে ছিলেন। খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ হয়ে মারা যায়।