শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

দীঘিনালায় জুম্ম জাতীয় জনক এমএন লারমার ৪২তম মৃত্যু বার্ষীকি পালন

১১

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জনসংহতি সমিতি’র প্রতিষ্ঠাতা জুম্ম জাতীর জনক মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। সোমবার (১০নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় দীঘিনালায় লারমা স্কায়ারে মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা’র প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।

শ্রদ্ধা জানান পার্বত্য জনসংহতি সমিতির (পিজেএসএস এম.এন লারমা) নেতকর্মী, সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সামাজিক সংগঠন নেতাকর্মীরা।

এর আগে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পার্বত্য জনসংহতি সমিতি (পিজেএসএস এম.এন লারমা) দীঘিনালা উপজেলা শাখার আয়োজনে র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি লারমা স্কোয়ারের বাজার প্রদক্ষিন করে কলেজটিলা সমিতির প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে শেষ করা হয়। পরে এক আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিজেএসএস) এমএন লারমা দীঘিনালা উপজেলা শাখার সভাপতি শান্তি লোচন দেওয়ান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুব বিষয়ক সম্পাদক প্রশান্ত চাকমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, এমএন লারমা দীঘিনালা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সমীর চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক নলেজ চাকমা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ সভাপতি বিবেক চাকমা, যুবক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জ্ঞান চাকমা, খাগড়াছড়ি হেডম্যান এসোসিয়েশন সভাপতি যুব লক্ষন চাকমা প্রমূখ।

আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, মহান নেতা এম. এন. লারমার আদর্শ ও সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করতে হবে এবং তাঁর দেখানো পথ অনুসরণে নতুন করে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে জুম্ম জাতীর অধিকার আদায়ে আন্দোলনে সকলে মিলে কাজ করতে হবে।