শিরোনাম
সেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনজুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বানজাতীয়তাবাদী দল জনগণের লক্ষ্য বাস্তবায়নেই কাজ করে যাচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

দীঘিনালায় ৩দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন

১৩

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
‘দেশী ফল বেশি খাই, আসুন ফলের গাছ লাগাই’ প্রতিপাদ্য ধারন করে খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় দীঘিনালা উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনে সহযোগিতায় এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন করেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত কুমার সাহা। এসময় উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান সুমন, দীঘিনালা উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা পরেশ চাকমা, উপসহকারী কৃষি অফিসার সুপন চাকমা প্রমূখ।

জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন শেষে দেশীয় ফলের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত কুমার সাহা। পরে স্থানীয় দর্শনার্থীরা ফল মেলা দেখার জন্য জড়ো হন। ফলের স্টলগুলোরতে চিরকুটে লেখা আছে দেশীয় নাম বৈজ্ঞানিক নাম ও ফলের মধ্যে থাকা ভিটামিনের বিবরণ। ফলমেলা দেখতে এসে হোসনারা আক্তার বলেন, ফল মেলায় দেশী অনেক ফল দেখলাম অনেক ফল আগে দেখিনি। প্রতিটি ফলের পাশে লেখা আছে ফলের নাম ও তাতে কোন কোন ভিটামিন আছে। এ উদ্যোগটি সবার জন্য ভালো হয়েছে।

দীঘিনালা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান সুমন বলেন, দেশীয় ফল মেলার মূল্য লক্ষ্য হলো দেশীয় ফলের পুষ্টিগুন সর্ম্পকে স্থানীয়দেরকে ধারনা দেয়া ও চাষিদের উদ্ধুব্ধ করে বাগান করতে উৎসাহ যোগানো কেননা দেশীয় ফলের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, দেশী ফলের পুষ্টির গুন বেশী দামেও কম। তাই বেশি বেশি করে দেশীয় ফল খেতে হবে। বিশেষ করে শিশুদেরকে বেশী ফল খাওয়া দরকার। ফল মেলার মাধ্যমে সরকার উদ্যেশ বেশি ফলের পরিচিত করা, স্থানীয়দের মাঝে দেশীয় ফলের পুষ্টিগুন সম্পর্কে ধারন দেয়া এবং দেশীয় ফলের বাগান সৃজন করা। জাতীয় ফল মেলা আগামী ২১তারিখ পর্যন্ত চলবে এবং সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।