শিরোনাম
কাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীখাগড়াছড়ির পানছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুর মৃত্যু, বিজিবি’র সদস্য আহতবান্দরবানের লামায় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার এলজিইডি’র সড়কের উন্নয়ন কাজ ব্যাপক অনিয়মে ?দুর্গম পাহাড়ে বঞ্চিত বহু মানুষের চিকিৎসা সেবায় মাটিরাঙ্গা সেনা জোনবাঘাইছড়িতে সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ প্রদানবান্দরবানের লামায় কৃষক পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগরাঙ্গামাটিতে দূর্গাপ্রতিমা বিসর্জন হলো সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ভক্ত অনুরাগীদের অশ্রুনয়নেকাপ্তাই বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদটি পূর্ণ সংস্কার করে দেওয়া হোক

দীঘিনালায় ৩দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন

১৩

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
‘দেশী ফল বেশি খাই, আসুন ফলের গাছ লাগাই’ প্রতিপাদ্য ধারন করে খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় দীঘিনালা উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনে সহযোগিতায় এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন করেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত কুমার সাহা। এসময় উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান সুমন, দীঘিনালা উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা পরেশ চাকমা, উপসহকারী কৃষি অফিসার সুপন চাকমা প্রমূখ।

জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন শেষে দেশীয় ফলের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত কুমার সাহা। পরে স্থানীয় দর্শনার্থীরা ফল মেলা দেখার জন্য জড়ো হন। ফলের স্টলগুলোরতে চিরকুটে লেখা আছে দেশীয় নাম বৈজ্ঞানিক নাম ও ফলের মধ্যে থাকা ভিটামিনের বিবরণ। ফলমেলা দেখতে এসে হোসনারা আক্তার বলেন, ফল মেলায় দেশী অনেক ফল দেখলাম অনেক ফল আগে দেখিনি। প্রতিটি ফলের পাশে লেখা আছে ফলের নাম ও তাতে কোন কোন ভিটামিন আছে। এ উদ্যোগটি সবার জন্য ভালো হয়েছে।

দীঘিনালা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান সুমন বলেন, দেশীয় ফল মেলার মূল্য লক্ষ্য হলো দেশীয় ফলের পুষ্টিগুন সর্ম্পকে স্থানীয়দেরকে ধারনা দেয়া ও চাষিদের উদ্ধুব্ধ করে বাগান করতে উৎসাহ যোগানো কেননা দেশীয় ফলের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, দেশী ফলের পুষ্টির গুন বেশী দামেও কম। তাই বেশি বেশি করে দেশীয় ফল খেতে হবে। বিশেষ করে শিশুদেরকে বেশী ফল খাওয়া দরকার। ফল মেলার মাধ্যমে সরকার উদ্যেশ বেশি ফলের পরিচিত করা, স্থানীয়দের মাঝে দেশীয় ফলের পুষ্টিগুন সম্পর্কে ধারন দেয়া এবং দেশীয় ফলের বাগান সৃজন করা। জাতীয় ফল মেলা আগামী ২১তারিখ পর্যন্ত চলবে এবং সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।