শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়ন প্রকল্পের স্কিমগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে: পার্বত্য সচিবআসলে দেখার কেউ নেই, এখন ধর্মীয় অনুষ্টানের সময়ও পানি কিনতে হচ্ছেদুর্গম এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ পানির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবেএশিয়ান জিমন্যাস্টিকসের মঞ্চে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্টজলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়েজয় পরাজয় থাকবে তবে মানুষের মাঝে মিলন মেলা আর বন্ধুত্বের জয় হবে: লে. কর্ণেল মীর মোরশেদОткройте для себя мир азарта в Казино Пин-ап с большими деньгами!আগামী পাঁচ বছরে ৫ লক্ষ বৃক্ষরোপণ করবে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডখাগড়াছড়ির রামগড়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধনলংগদু রাজনগর বিজিবি জোনের পক্ষে সোলার প্যানেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ

জমকালো আয়োজনে লামায় বিজয় দিবস উদযাপন

৩৫

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে লামায় উপজেলা প্রশাসন জমকালো আয়োজনে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি উদযাপন করছে। অনুষ্ঠানে সরকারি বেসরকারি সংস্থা, সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন অংশ নেয়। বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বন) প্রত্যুষে ৫০ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির শুভ সূচনা এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

এদিকে ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন, পুলিশ, আনসার ব্যাটেলিয়ন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলো প্রত্যুষে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। সকাল ৮টা থেকে লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে লামা উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোস্তফা জাবেদ কায়সার ও লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির সূচনা করেন। এরপর পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্কাউটস, গার্লস গাইড ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।

কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন লামা উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোস্তফা জাবেদ কায়সার ও লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী। শেষে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন তাদের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক বিভিন্ন ডিসপ্লে প্রদর্শন করে।
বেলা ১২টায় লামা উপজেলা পরিষদ হলরুমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং “জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া বিজয় দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে হাসপাতাল, এতিমখানা, শিশু সদনে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে মোনাজাত ও প্রার্থণা, বিকাল ৩টায় প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা (উপজেলা পরিষদ বনাম পৌরসভা একাদশ), বিকাল ৩টায় মহিলাদের ক্রীড়া অনুষ্ঠান, বিকাল ৪টায় বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের শপথ, সন্ধ্যা ৬টায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী, রাত ৭টা ৩০ মিনিটে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর আয়োজন করা হয়।