শিরোনাম
শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ ও ঝরে পড়া রোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীপ্রকৃতির সহনশীলতা খেয়াল রেখে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীখাগড়াছড়ির রামগড় সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ছয়টি গরু জব্দবান্দরবানের লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু হয়েছে ইকো-কার্ডিওগ্রাফি সেবারামগড় বিজিবির জোন কমান্ডারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদানকাপ্তাইয়ে বানরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ মানুষ, ক্ষতি করা যাবে না বললো বন বিভাগরামগড়ে হারানো মেয়েকে ৯ বছর পর ফিরে পেলেন মাসরকারের অর্থায়নে প্রকল্পের কাজের প্রতি জবাবদিহিতা থাকতে হবে:পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রুপুলিশের অভিযানে ৪ দিন পরে লামার নিখোঁজ তিন কিশোরী উদ্ধারসাজেকে ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

কাপ্তাইয়ে বানরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ মানুষ, ক্ষতি করা যাবে না বললো বন বিভাগ

২

॥ কবির হোসেন, কাপ্তাই ॥
রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে বন্যপ্রাণী বানরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও বাসাবাড়ি লোকজন। বাসা ও দোকানের মালামাল রক্ষায় হাতে লাঠি নিয়ে পাহারা দিতে হয়। মুহূর্তের মধ্যে সুযোগ পেলে ছো’মেরে দোকান হতে পাউরুটি, বিস্কুট, চানাচুর, মুখরোচর খাবার এবং বাসা হতে রুটি বিভিন্ন সবজি নিয়ে যাচ্ছে বানরের দল। বানরের অত্যাচার এলাকার অনেক মানুষ অতিষ্ট বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এছাড়া কলা, কলা গাছের নরম ডাল,পালা, পেঁপে, পেঁপে গাছের ডাল, পালা, আতাফল সহ বিভিন্ন সবজি সাভার করে দিচ্ছে বানরের দল। মুদি দোকান, ব্যবসায়ী সিফাত, জাহাঙ্গীর ও জয়নাল জানান, আমরা বানরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে পরেছি। দোকান বা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থাকে কোন দিকে যাওয়া যায়না। ওরা সুযোগ পেলেই ছো মেরে কিছু না কিছু নিয়ে যাচ্ছে। আমরা দোকানে লাঠি নিয়ে বসে থাকি। শিল্প এলাকার মুদি দোকান ব্যবসায়ী শাহীন জানান,আমার দোকানের ভিতর ১০/১২টি বানর ডুকে বিস্কুল,পাউরুটি ইচ্ছা মত খেয়ে, হাজার, হাজার টাকার প্রয়োজনীয় মালামাল নষ্ট করে চলে গেছে। এদের মন্ত্রণায় আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি।

‘স’ মিল এলাকার গৃহিণী হালিমা, রিমা ও তাসমিমা আক্তার জানান, ঘরের দরজা খোলা রাখা যায়না, সুযোগ পেলেই ঘরে প্রবেশ করে তরকারি, নাস্তা সহ খাবার যা পাচ্ছে তাই নিয়ে যায়। মোঃ মুছা ও আঃ রহিম জানান, কোন সবজি গাছ লাগানো যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে পেঁপে গাছ, পেঁপে, কলাগাছ সহ সব কিছুই সাবাড় করে ফেলছে। রাশিদা বেগম জানান আমার ঘরের যত টিন ছিলো সব নড়ভড়ে করে ফেলেছে। আমরা এদের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে পরেছি। নুরুল আফছার এলাকার ভুক্তভোগী লোক জানান বন বিভাগ এ বিষয়ে একটি ব্যবস্থা নিবে। আমরা এদের যন্ত্রণায় পারছিনা।

এ বিষয়ে দক্ষিণ বন বিভাগ কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, ছোট বন্যপ্রাণী ওরা বনের ভিতর খাবার না পেয়ে লোকালয়ে এসে মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। তবে বেশি কোন ক্ষতি করলে বন বিভাগের নিয়ম আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে এসব বন্যপ্রাণীর কোন ক্ষতি করা যাবে না বলে তিনি জানান।