শিরোনাম
শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ ও ঝরে পড়া রোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীপ্রকৃতির সহনশীলতা খেয়াল রেখে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীখাগড়াছড়ির রামগড় সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ছয়টি গরু জব্দবান্দরবানের লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু হয়েছে ইকো-কার্ডিওগ্রাফি সেবারামগড় বিজিবির জোন কমান্ডারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদানকাপ্তাইয়ে বানরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ মানুষ, ক্ষতি করা যাবে না বললো বন বিভাগরামগড়ে হারানো মেয়েকে ৯ বছর পর ফিরে পেলেন মাসরকারের অর্থায়নে প্রকল্পের কাজের প্রতি জবাবদিহিতা থাকতে হবে:পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রুপুলিশের অভিযানে ৪ দিন পরে লামার নিখোঁজ তিন কিশোরী উদ্ধারসাজেকে ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

রামগড় বিজিবির জোন কমান্ডারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদান

২

॥ মোঃ মাসুদ রানা, রামগড় ॥
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনে খাগড়াছড়ির রামগড়ে দুইটি পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন করে আর্থিক অনুদান দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রামগড় জোন। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য জোরদারে বিজিবির জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ সহায়তা দেওয়া হয়।

বৃহস্প্রতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুড়ে রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) রামগড়ের শ্রী শ্রী দক্ষিণেশ্বরী কালী মন্দির ও শ্রী শ্রী বাসন্তী কালী মন্দির পরিদর্শন করে অনুদান প্রদান করেন, রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আহসান উল ইসলাম।

আসন্ন দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনে সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য সুদৃঢ় করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। ধর্মীয় উৎসবগুলো যেন সবাই নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে স্থানীয় পর্যায়ে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের গুরুত্বও এ উদ্যোগের মাধ্যমে উঠে এসেছে।

অনুদান প্রদান শেষে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আহসান উল ইসলাম এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রমের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজনে সহযোগিতার মাধ্যমে বিজিবি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতার পরিবেশ জোরদারে ভূমিকা রেখে চলেছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পাবে এবং শারদীয় দুর্গাপূজাসহ অন্যান্য ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে।

এসময় রামগড় জোনের সহকারী পরিচালক মোঃ শামসুল হক, রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি বাহার উদ্দিন, রামগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিন লাভলু, সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বাদল চন্দ্র নাথ, সাধারন সম্পাদক স্বপন দে, অর্থ-সম্পাদক কাজল দাস সহ পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।