শিরোনাম
ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে হরিলুট ও দুর্নীতির রাজত্ব কায়েম হয়েছিল: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালজাম পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে পুলিশ সদস্য আহতরামগড়ের মেধাবী তরুণ ফারহান পেলেন রাশিয়ায় ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপখাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গায় জাতীয় ফল মেলা প্রদর্শিত হচ্ছে দেশি-বিদেশী নানা ফলনারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ করার অঙ্গীকার শিক্ষার্থীদেরখাগড়াছড়ির রামগড়ে বিজিবির অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজা জব্দরাঙ্গামাটির বরকলে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিতখাগড়াছড়ির রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড পেলো ৪৫৬ পরিবারঅপরাধমূলক কর্মকান্ডের তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান: কর্নেল মোঃ আহসানপার্বত্যের বিজু,সাংগ্রাই,বিষু,বৈসু,চাংক্রান ও চাংলান উৎসব বাংলাদেশের অনন্য সাংস্কৃতিক ভিত্তি: পার্বত্য সচিব

ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে হরিলুট ও দুর্নীতির রাজত্ব কায়েম হয়েছিল: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের অন্ধকার রাতে দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্ব যখন চরম দিকনির্দেশনাহীনতায় ভুগছিল, তখন মেজর জিয়াউর রহমান বীরদর্পে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিসংগ্রামে জাতিকে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং সম্মুখসমরে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সার্বভৌমত্ব এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের এক অবিস্মরণীয় ও কালজয়ী এই স্থপতি।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম কোতোয়ালীস্থ চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) ভবনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পবিত্র খতমে কোরআন, আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীসমাজ, আলেম-ওলামা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ক্ষমতার মোহ ত্যাগ করে তিনি ব্যারাকে ফিরে গিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। জিয়াউর রহমান কেবল স্বাধীনতার ঘোষকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের আধুনিকায়নের রূপকার। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার প্রহণ করে তিনি ধ্বংস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে এক আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করেন। শহীদ জিয়া একদলীয় শাসনের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কালজয়ী আদর্শ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের বীর জনতা ক্ষমতার অপব্যবহার বা ভোগের জন্য আমাদের নির্বাচিত করেনি, বরং তাদের অধিকার ও সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতেই এই পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছে। চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে। সকল জনপ্রতিনিধি, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চউক, ওয়াসা-সহ সকল সেবা সংস্থাকে সাথে নিয়ে একটি সমন্বিত, পরিকল্পিত, আধুনিক ও বৈশ্বিক মানসম্পন্ন ও উন্নত চট্টগ্রাম গড়ে তোলা হবে। জনগণের ট্যাক্সের পয়সার অপচয় এবং সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির সংস্কৃতি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শুধু মঞ্চের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে তাদের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমেই শহীদ জিয়ার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে।