শিরোনাম
শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ ও ঝরে পড়া রোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীপ্রকৃতির সহনশীলতা খেয়াল রেখে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীখাগড়াছড়ির রামগড় সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ছয়টি গরু জব্দবান্দরবানের লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু হয়েছে ইকো-কার্ডিওগ্রাফি সেবারামগড় বিজিবির জোন কমান্ডারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদানকাপ্তাইয়ে বানরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ মানুষ, ক্ষতি করা যাবে না বললো বন বিভাগরামগড়ে হারানো মেয়েকে ৯ বছর পর ফিরে পেলেন মাসরকারের অর্থায়নে প্রকল্পের কাজের প্রতি জবাবদিহিতা থাকতে হবে:পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রুপুলিশের অভিযানে ৪ দিন পরে লামার নিখোঁজ তিন কিশোরী উদ্ধারসাজেকে ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

পুলিশের অভিযানে ৪ দিন পরে লামার নিখোঁজ তিন কিশোরী উদ্ধার

১

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক, লামা ॥
অবশেষে ৪দিন পরে বান্দরবানের লামার ইয়াংছা এলাকা হতে নিখোঁজ ৩ কিশোরীকে উদ্ধার করেছে লামা থানা পুলিশ। প্রযুক্তির ব্যবহার ও পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে চট্টগ্রামের খুলশী এলাকার ২টি বাড়ি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কাইছার হামিদ।

পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ জামিল হোসেন জানান, গত ১১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টায় রেশমি আক্তার (১৭), তানিয়া সুলতানা (১৩) ও হালিমাতুচ্ছ সাদিয়া (১৪) ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা মুসলিম পাড়া হইতে নিখোঁজ হয়।

রেশমি আক্তারের বাবা শহিদুল ইসলাম ও মা রোজিনা আক্তার। তাদের বাড়ি ইয়াংছার বনফুর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডে। তানিয়া সুলতানার বাবা আবুল হাশেম ও মা কুলছুমা বেগম। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তাদের বাড়ি ইয়াংছারমুখ মুসলিম পাড়ায়। একই এলাকায় বসবাস হালিমাতুচ্ছ সাদিয়ার পরিবার। তার বাবা বেলাল উদ্দিন ও মা শারমিন আক্তার।

১৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাত সাড়ে ৫টার মধ্যবর্তী সময় সিএমপির খুলশী থানাধীন ২নং রোড ১০১ নং বাসার সাইফুল ইসলাম পিতা সাবের আহমদ মাতা তসলিমা বেগম এর বাসা হইতে হালিমাতুচ্ছ সাদিয়া (১৪) এবং খুলশী টাউন সেন্টার কংকর্ড টাওয়ার এর ১২ ই বাসার নাসির উদ্দিন পিতা মৃত মোহাম্মদ আলী মাতা মৃত মমতাজ বেগম এর বাসা হইতে রেশমি আক্তার (১৭), তানিয়া সুলতানা (১৩) কে উদ্ধার করা হয়।

লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কাইছার হামিদ বলেন, বাসার মালিকদ্বয় এবং ভিকটিমরা নিজেরা স্বীকার করে যে, ভিকটিমরা বাসা বাড়ির গৃহপরিচারিকার কাজের জন্য মালিকদের বাসায় ছিল। তাদের লামায় নিয়ে আসা হচ্ছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই ঘটনায় নিখোঁজ স্কুল ছাত্রীদের পরিবার লামা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিল।