শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

খুচরা সার বিক্রেতাদের লাইসেন্স স্থগিতে সিদ্ধান্তে মাটিরাঙ্গায় ক্ষোভ

১২

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
বাংলাদেশের খুচরা সার বিক্রেতাদের লাইসেন্স স্থগিতের ঘোষণার প্রতিবাদে কৃষি সচিব বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন মাটিরাঙ্গা উপজেলার খুচরা সার বিক্রেতারা। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি পাঠানো হয়।

স্মারকলিপিতে তারা জানান, সম্প্রতি কৃষি উপদেষ্টার এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশে খুচরা সার বিক্রেতাদের সনদ স্থগিত করা হবে এবং তাদের আর কোনোভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হবে না। এই ঘোষণায় দেশের প্রায় ৪৪ হাজার খুচরা সার বিক্রেতা গভীরভাবে হতাশ ও উদ্বিগ্ন হয়েছেন।

বিক্রেতারা বলেন, আমরা দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কৃষকদের দোরগোড়ায় সার পৌঁছে দিচ্ছি। পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ও সরকারি নীতিমালানুযায়ী লাইসেন্সধারী ব্যবসায়ী হিসেবে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ও ৩০/৪০ লক্ষ টাকার পুঁজির বিনিয়োগে কাজ করছি। কৃষক চাষাবাদের সময় অর্থ সংকটে পড়লে আমরা হাজার হাজার টাকা বাকিতে সার সরবরাহ করি। তাদের অভিযোগ, নীতিমালা প্রণয়নের আগে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মতামত নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও সহনীয় হতো। আমাদের জীবিকা এই পেশার উপর নির্ভরশীল, কর্মহীন হলে পরিবার নিয়ে রাস্তায় নামা ছাড়া উপায় থাকবে না বলেন বিক্রেতারা।

স্মারকলিপিতে তারা আরও উল্লেখ করেন, সরকারি কোষাগারে ৩০ হাজার টাকা জামানত জমা দিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসারের স্বাক্ষরিত আইডি কার্ড ও লাইসেন্স নিয়ে তারা অফিসিয়ালভাবে সার বিক্রির কাজ পরিচালনা করছেন। তারা দাবি করেন, প্রকৃত খুচরা বিক্রেতারা সার সিন্ডিকেটের শিকার হয়ে আসছেন। যদি এই প্রথা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে সার সিন্ডিকেট চিরতরে নির্মূল হবে।

বিক্রেতারা জানান, তাদের সংগঠন “খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ” ২০১৩ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে টি.ও. লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে এবং ২০১৫ সালে জয়েন্ট স্টক কোম্পানি থেকে নিবন্ধন পায়। কিন্তু কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং অধিশাখা বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন নামক সংগঠন আছে উল্লেখ করে তাদের পক্ষে মতামত দেয়নি। বিক্রেতারা দাবি করেন, দুই সংগঠনের নাম, কাঠামো ও উদ্দেশ্য ভিন্ন হওয়ায় তাদের আবেদন পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। তারা কৃষি সচিবের নিকট অনুরোধ জানান—২০১৮ সালের সংশ্লিষ্ট স্মারক পুনর্মূল্যায়ন করে তাদের অনুকূলে মতামত প্রদান ও দ্রুত টি.ও নিবন্ধন সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

শেষে বিক্রেতারা বলেন, আমাদের আইডি কার্ড ও লাইসেন্স বহাল রেখে, অন্তত আগামী ২৫ অক্টোবর ২০২৫ সালের মধ্যে খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর টি.ও নিবন্ধন প্রদান করলে কৃষক ও খুচরা বিক্রেতা উভয়ের স্বার্থই রক্ষা পাবে।