শিরোনাম
সকল রির্সোট বুক পূজার ছুটিতে পর্যটকদের অপেক্ষায় কাপ্তাইয়ের পর্যটন কেন্দ্ররামগড়ে মন্দির ও বৌদ্ধ বিহার সহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে অনুদান বিতরণরামগড়ে সনাতন ছাত্র যুব পরিষদের উদ্যোগে অসহায়দের পূজোর বস্ত্র বিতরণখাগড়াছড়ির পানছড়িতে এসএমজি সহ ১০০ রাউন্ড গুলি উদ্ধারঅগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো বিধবা নূরজাহানের ঘর করে দেবেন ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপিখাগড়াছড়ির রামগড়ে পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে এসআরবি-৭ কোম্পানি কমান্ডপ্রত্যন্ত এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশুনা থেকে যেন বঞ্চিত না হয়: চেয়ারম্যান দীপনশ্রদ্ধা ও সম্প্রীতিকে আরও গাঢ় করার সেতুবন্ধন হলো শারদীয় দুর্গা পূজা: পার্বত্য মন্ত্রীপানছড়িতে দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তায় ৩ বিজিবির নজরদারিদুর্গাপূজা ঘিরে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে ২৩ বিজিবি

উত্তমের তামাক চাষের জমিতে এখন ছড়াচ্ছে সূর্যমূখী ফুলের গন্ধ, এগুচ্ছে অনেকে

১৯

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় তামাক চাষের জমিতে এখন সূর্যমূখী ফুলে ফুলে ভরেছে কৃষকের মাঠ। কৃষি বিভাগের প্রনোদনার বীজ এখন কৃষক উত্তম চাকমা’র জমিতে কীটনাশকের গন্ধের পরিবর্ততে এখন ফুলে গন্ধে মৌ-মৌ করছে। কেননা উত্তম চাকমা তাঁর নিজের জমি আর তামাক চাষের জন্য বর্গা দেয়নি। এবার নিজেই ফুলে চাষ করে লাভবান হতে যাচ্ছে।

অর্থের জন্য জমি বর্গা দিয়ে দীঘিনালা উপজেলার কৃষি-ফসলী অনেকের জমিতে মাইনী নদীর তীর ঘেঁষে শুধু তামাক আর তামাক চাষ হতো। উপজেলায় কবাখালী ইউনিয়নের উত্তম চাকমা বসতবাড়ি পাশে জমি বর্গা না দিয়ে কৃষি অফিস থেকে প্রনোদনা হিসেবে সূর্যমূখী ফুল চাষ করে এলাকায় সাড়া ফেলে দিয়েছে। প্রচুর পরিমানে ফুল ধরেছে, প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে দর্শনার্থী আসছে ফুল বাগান দেখতে আর ছবি তুলতে। সোস্যাল মিডিয়া ছড়িয়ে দিচ্ছে সূর্যমূখী ফুল বাগানের ছবি। তামাক চাষের বিকল্প হতে পারে সরিষা, ভূটা, সূর্যমূখী ফুল চাষ করে কৃষক লাভবান হতে পারে।

সূর্যমূখী ফুল চাষী উত্তম চাকমা বলেন, প্রতি বছর আমি আমার বাড়ির পাশের জমি তামাক চাষীদের কাছে বর্গা দিতাম। তামাক গাছে চাষীরা যখন কীটনাশক ও বিভিন্ন ঔষধ দেয় এতে প্রচুর গন্ধ সৃষ্টি হয়। কীটনাশকের গন্ধে ছেলে-মেয়ে নিয়ে ঘরে থাকতে অনেক সমস্যা হত। তাই এবছর তামাক চাষীর কাছে জমি বর্গা না দিয়ে দীঘিনালা উপজেলা কৃষি উপসহকারী অফিসারের পরামর্শে ত্রিশ শতক জমিতে প্রনোদনা মাধ্যমে সূর্যমূখী ফুলের বীজ ও সার দেয়। চাষ করতে খরচ কম। ভালো ফলন আসছে আশা করছি খরচে চেয়ে দ্বিগুন লাভ হবে।

উত্তম চাকমা‘র সহর্ধমিনী সোনালী চাকমা বলেন, আমার স্বামী প্রতিবছর বাড়ির আশেপাশে জমিগুলো চাকমা চাষীর কাছে বর্গা দিত। তামাক চাষীরা তামাক গাছে প্রচুর সার কীটনাশক দেয় এতে প্রচুর গন্ধ সৃষ্টি হয় ছেলে মেয়ে নিয়ে ঘরের থাকতে কষ্ট হয়। তাই এবছর আমার স্বামীকে তামাকে জমি বর্গা দিতে দেই নাই। কৃষি অফিস থেকে সূর্যমূখী ফুলের বীজ এনে জমিতে রোপন করছে। অনেক ফুল হয়েছে প্রতিদিন অনেকে দেখতে আসে ফুলের বাগান আর ছবি তুলে।

দীঘিনালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, দীঘিনালা উপজেলা যেহেতু তামাক অধ্যুষিত অঞ্চল তামাকের বিকল্প ফসল হিসেবে সরিষা, সূর্যমূখীসহ বেশ কয়টি ফসল পুনস্থানের চেষ্টা করা হচ্ছে, তবে সূর্যমূখী চাষে কৃষকরা খুব সাফল্য পাচ্ছে, কৃষকরাও লাভবান হচ্ছে,সূর্যমূখী ফুল চাষে খুব বেশি কৃষি উপকরনের প্রয়োজন হয় না, সার পরিমানে অল্প লাগে। আমি মনে করি সূর্যমূখী চাষের মাধ্যমে তামাক চাষ হ্রাস করতে পাবর। এবছর সরকারি প্রনোদনার মাধ্যমে উপজেলায় ৪০বিগা জমিতে সূর্যমূখী ফুল চাষ করছে চাষীরা।