শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

পাহাড় ও সমতলের ব্যবধান ঘুচাতে ই-লার্নিং হবে শক্তিশালী হাতিয়ার: উপদেষ্টা সুপ্রদীপ

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি উন্নত ও আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে ‘মানসম্মত শিক্ষা’ ও ‘জীবিকার মানোন্নয়ন’ সরকারের মূল অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। তিনি বলেন, ই-লার্নিং শুধু শিক্ষা নয়, বরং পাহাড় ও সমতলের ব্যবধান ঘুচিয়ে দেওয়ার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এটি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত করার এক সাহসী পদক্ষেপ। সাক্ষাতে বাংলাদেশ-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়সহ বিভিন্ন সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়।

আজ সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাই কমিশনার অজিত সিং (অলরঃ ঝরহময)-এর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে এলে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন। এসময় উভয়ের সাক্ষাতে বাংলাদেশ-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়সহ বিভিন্ন সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়।

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে তাঁর কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, কেবল শিক্ষিত নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ প্রজন্মই পারে একটি বৈষম্যহীন আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে। দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার প্রসারে সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, পাহাড়ের অনেক এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের (স্টারলিংক বা সমজাতীয় প্রযুক্তি) মাধ্যমে সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে শহরের অভিজ্ঞ শিক্ষকরা সরাসরি অনলাইনে গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজির মতো কঠিন বিষয়গুলো পড়াতে পারছেন, যা স্থানীয় পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষকের অভাব পূরণ করছে।

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে ‘লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট’ বা জীবিকার মানোন্নয়নে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ গরিব থাকার কথা ছিল না। এই সম্পদশালী অঞ্চলকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে জুম চাষের পাশাপাশি স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি, আধুনিক সেচ ব্যবস্থা এবং কফি, কাজু বাদাম ও ড্রাগন ফ্রুটের মতো উচ্চমূল্যের ফল চাষে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রকৃতি রক্ষা করে স্থানীয় নৃ-গোষ্ঠীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পার্বত্য অঞ্চলকে ‘ইকো-ট্যুরিজম’ হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমান অন্তর্র্বতীকালীন সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশের মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত করতে বদ্ধপরিকর। এই উন্নয়ন প্রচেষ্টা সফল হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম সারা দেশের জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠবে।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব অতুল সরকার, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, উপদেষ্টার একান্ত সচিব খন্দকার মুশফিকুর রহমান, কানাডা হাই কমিশনারের ১ম সচিব জোসেফ ম্যাকইনটোশ (গৎ. ঔড়ংবঢ়য গপওহঃড়ংয), কানাডিয়ান হাই কমিশনারের কনসালটেন্ট এএইচএম মহিউদ্দিন ও ইউনএনডিপি’র প্রজেক্ট ম্যানেজার ইয়্যুগেস প্রধানং (গৎ. ণঁমবংয চৎধফযধহধহম)