শিরোনাম
খাগড়াছড়ির রামগড়ে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের আত্মহত্যাজলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় গ্রামীণ নারীদের নেতৃত্ব বাড়াতে হবেবন্যহাতির আক্রমণে নিহত মংখ্যাইচিং এর পরিবার পেল ৩ লক্ষ টাকারাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে ডেঙ্গু জ্বরে একজনের মৃত্যুবাঘাইছড়ির সাজেকে পর্যটকবাহী চাঁদের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আহত ১৩উন্নয়ন মানে শুধু মসজিদ, মন্দির কিংবা স্থাপনা নির্মাণ নয়: ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপিসকল রির্সোট বুক পূজার ছুটিতে পর্যটকদের অপেক্ষায় কাপ্তাইয়ের পর্যটন কেন্দ্ররামগড়ে মন্দির ও বৌদ্ধ বিহার সহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে অনুদান বিতরণরামগড়ে সনাতন ছাত্র যুব পরিষদের উদ্যোগে অসহায়দের পূজোর বস্ত্র বিতরণখাগড়াছড়ির পানছড়িতে এসএমজি সহ ১০০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় গ্রামীণ নারীদের নেতৃত্ব বাড়াতে হবে

১

॥ হ্লাছোহ্রী মারমা, রোয়াংছড়ি ॥
‘জলবায়ু অভিঘাত পেরিয়ে গ্রামীণ নারী ক্ষমতায়ন ও সমৃদ্ধির পথে’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার (১৮অক্টোবর) গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন (গ্রাউস)-এর উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে উপজেলার ৪ নম্বর নোয়াপতং ইউনিয়নের আন্তাহার বাজার এলাকায় বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিটি বাজার এলাকা থেকে বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

গ্রাউসের উপজেলা ফোকাল পার্সন অংচউ মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চনুমং মারমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য মেনুপ্রু মারমা, সমাজসেবক নেফাচন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যা, গ্রাউসের কর্মকর্তা অম্লান চাকমাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন, টেকসই কৃষি উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রামীণ নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই তাদের অবদানকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। বক্তারা আরও বলেন, জাতিসংঘের লিঙ্গসমতা বিষয়ক সূচক ও বৈশ্বিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্রামীণ নারী কৃষকদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সরাসরি কৃষক কার্ড প্রদান বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে সমকাজে সমজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় গ্রামীণ নারীদের নেতৃত্ব বাড়াতে হবে।

এ ছাড়া স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিতে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। তাঁদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গ্রামীণ নারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করা জরুরি।