শিরোনাম
শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতিকে আরও গাঢ় করার সেতুবন্ধন হলো শারদীয় দুর্গা পূজা: পার্বত্য মন্ত্রীপানছড়িতে দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তায় ৩ বিজিবির নজরদারিদুর্গাপূজা ঘিরে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে ২৩ বিজিবিশিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ ও ঝরে পড়া রোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীপ্রকৃতির সহনশীলতা খেয়াল রেখে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীখাগড়াছড়ির রামগড় সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ছয়টি গরু জব্দবান্দরবানের লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু হয়েছে ইকো-কার্ডিওগ্রাফি সেবারামগড় বিজিবির জোন কমান্ডারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদানকাপ্তাইয়ে বানরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ মানুষ, ক্ষতি করা যাবে না বললো বন বিভাগরামগড়ে হারানো মেয়েকে ৯ বছর পর ফিরে পেলেন মা

পানছড়িতে দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তায় ৩ বিজিবির নজরদারি

৩

॥ মোঃ ইসমাইল, পানছড়ি ॥
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় এবং নিরাপত্তা জোরদারে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি ও সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ রবিউল ইসলাম।

পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ও সনাতন ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করেন। এ সময় পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজিবি জানায়, পূজাকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পূজামণ্ডপগুলো ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। জাতি, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সকলের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।

ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক জানান, এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম চালু থাকবে। সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতির সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে বিজিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।