শিরোনাম
প্রত্যন্ত এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশুনা থেকে যেন বঞ্চিত না হয়: চেয়ারম্যান দীপনশ্রদ্ধা ও সম্প্রীতিকে আরও গাঢ় করার সেতুবন্ধন হলো শারদীয় দুর্গা পূজা: পার্বত্য মন্ত্রীপানছড়িতে দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তায় ৩ বিজিবির নজরদারিদুর্গাপূজা ঘিরে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে ২৩ বিজিবিশিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ ও ঝরে পড়া রোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীপ্রকৃতির সহনশীলতা খেয়াল রেখে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীখাগড়াছড়ির রামগড় সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ছয়টি গরু জব্দবান্দরবানের লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু হয়েছে ইকো-কার্ডিওগ্রাফি সেবারামগড় বিজিবির জোন কমান্ডারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদানকাপ্তাইয়ে বানরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ মানুষ, ক্ষতি করা যাবে না বললো বন বিভাগ

ভোগান্তিতে শত শত সাধারণ যাত্রী

চাঁদা দাবি করায় বান্দরবান-থানচি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে মালিক সমিতি

১১৯

॥ বান্দরবান প্রতিনিধি ॥
চাঁদাবাজী করার প্রেক্ষিতে বান্দরবানের থানচি সড়কে দূরপাল্লা বাস চলাচল বন্ধ করেছে পরিবহন মালিক সমিতি। যার ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ওই রুটে আসা যাওয়া চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীদের। তবে কি কারনে বাস চলাচলের বন্ধ রয়েছে সে ব্যাপারে জানেন নাহ যাত্রীরা। মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারী) সকাল থেকে বান্দরবান-থানচি সড়কের দূরপাল্লা বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

মারিক সমিতি সুত্র জানায়, অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে থানচি বাসষ্টেশন লাইনম্যান নিকট চাঁদা দাবী করে। মুঠোফোনে ওই প্রান্ত থেকে বলা হয় থানচি সড়কের বাস চলাচল করতে হলে দিতে হবে চাঁদা। অন্যথায় গাড়ি চালালে গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হুমকি দেওয়া হয়। যার ফলে আতঙ্কিত হয়ে সকাল থেকে বাস চলাচলের বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে পাহাড়ের কোন সংগঠন থেকে চাঁদাদাবী করেছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানচি বাস স্টেশনের লাইনম্যান মংচিংনু মারমা। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার অজ্ঞাত নাম্বার থেকে ফোন করে চাঁদা দাবী করে। চাঁদা না দিলে বাস পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। তাই সমিতির সিদ্ধান্তনুযায়ী ষ্টেশন থেকে কোন বাস ছেড়ে যায়নি। তবে পাহাড়ের কোন সংগঠন থেকে চাঁদাদাবী করেছে সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নয় বলে জানান।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে বান্দরবানের থানচি ষ্টেশনে সাধারণ যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষজন নিজ কর্মস্থলে যেতে বাসের ছাড়ার আশায় ছিলেন। আবার অনেকে বাইক কিংবা তিনচাকা মাহিন্দ্রা রিজার্ভ করে নিজ গন্তব্যে ছুটতে দেখা গেছে। ফলে অধিক ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে বলে জানান যাত্রীরা।

ষ্টেশনে অপেক্ষা করতে থাকা ম্রাসাইউ,মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন বলেন, কি কারণে সকাল থেকে বাস ছাড়ছে নাহ সেটি বিষয়ে জানেন নাহ। থানচি ও বলিপাড়াতে যাওয়ার জন্য সকাল থেকে ষ্টেশনে অপেক্ষা করছি। কেউ কেউ দ্বিগুন ভাড়া দিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে সাধারণ যাত্রীদের অনেকটাই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এবিষয়ে জীপ ও মাহেন্দ্র মাইক্রোবাস সমিতির সভাপতি ইকবাল বলেন, আমাদের মাহেন্দ্র জীপ গাড়ি চলাচল করছে থানচি সড়কে। দূরপাল্লা বাসগুলি স্টেশন থেকে কেন ছাড়েনি এ ব্যাপারে জানি না।

এ ব্যাপারে থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মামুন বলেন, বিষয়টি শুনেচ্ছি। তবে কি কারণে বন্ধ রয়েছে, তা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে বলে ফোন কেটে দেন।