শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের জীবিকার সুরক্ষায় নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীবাঘাইছড়িতে অবৈধভাবে মজুদ করা সাড়ে ৫ লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ জব্দবান্দরবনের থানচিতে হামের সঙ্গে ডায়রিয়ার প্রকোপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সীমান্তের মানুষওমাটিরাঙ্গায় কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ ও সার বিতরণখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পাহাড়ি লিচুর মৌ মৌ গন্ধে মুখর বাজার এলাকাচুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে চুক্তি সম্পাদনকারী দলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরাঙ্গামাটিতে দীপন তালুকদার দীপুকে-ই চেয়ারম্যান হিসেবে চায় বিএনপি পরিবারের অনেকেখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ভারসাম্যহীন ব্যক্তির লাশ উদ্ধারখাগড়াছড়ির পানছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারকাপ্তাইয়ে মৎস্যজীবিদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ

খাগড়াছড়িতে জাতীয় ভোটার দিবস পালিত

৩৫

॥ দহেন বিকাশ ত্রিপুরা,খাগড়াছড়ি ॥

সারাদেশের ন্যায় খাগড়াছড়িতে ৪র্থ জাতীয় ভোটার দিবস পালিত দিবসটি উপলক্ষে বুধবার (২মার্চ) সকালে “মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, রক্ষা করব ভোটাধিকার ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা নির্বাচন অফিস সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ সাইদুর রহমান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস, বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুজ্জামান, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সুধীন কুমার চাকমা, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুল ইসলাম, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সুদর্শন দত্ত। এছাড়াও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। সেই মালিকেরাই পাঁচ বছর পর তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে জাতীয় সংসদে পাঠান। সাংসদেরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবেই আইন প্রণয়নসহ নানা নীতি নির্ধারণ করেন। আবার পাঁচ বছর পর তাঁরা জনগণের কাছে তাঁদের প্রতিশ্রুতি ও কাজের খতিয়ান তুলে ধরেন। ভোটের মাধ্যমে জনগণ নির্ধারণ করেন তাঁরা আরও পাঁচ বছর থাকতে পারবেন, নাকি নতুন কেউ সরকার গঠন করবে। এটা সর্বজনীন গণতান্ত্রিক রীতি। এতে জনগণের সঙ্গে সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পর্ক স্থাপনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ভোট।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘গণতন্ত্র, নির্বাচন ও ভোটাধিকার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে’ প্রতি বছরের ১ মার্চকে জাতীয় ভোটার দিবস হিসেবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সরকার। এক বছর ভোটার দিবস পালনের পরে এই তারিখ পরিবর্তন করে ২ মার্চ করা হয়।