শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

আলীকদম চৈক্ষ্যং রাস্তার মাথায় স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা সভা

৪৭

॥ সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,আলীকদম ॥

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড রাস্তার মাথায় মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ওয়ার্ড পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ওয়ার্ড পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২ নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড রাস্তার মাথায় মাহবুবুল আলম মেম্বারের অফিসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ,আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত মেম্বার ও ৬ নং ওয়ার্ড আঃলীগের সভাপতি মোঃ মাহবুবুল আলম।
স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আলীকদম উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ আব্দুল মান্নান।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন আঃলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ছৈয়দ নূর,৬নং ওয়ার্ড কৃষক লীগেরর সভাপতি মোঃ হোসন আহম্মদসহ প্রমুখ।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,বঙ্গবন্ধু কোনো দলের না বরং এদেশের সবার নেতা। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ এই তিনটি জিনিস আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে। বঙ্গবন্ধু অনেক আগে থেকে ভেবে রেখেছিলেন যে এ জাতিকে মুক্তি দিতে হবে। বঙ্গবন্ধু যখন ৭ মার্চের ভাষণ দেয় তখন আমরা মাঠে খেলছিলাম, অনেক মানুষ বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ শুনছিল। অবশেষে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা এ স্বাধীন দেশ অর্জন করি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছর বেঁচে ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি অনেক মহা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন যার ফল আমরা এখনও ভোগ করছি। বক্তার আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানিরা এ দেশের জনগণের উপর নির্বিচারে হামলা চালানোর পর শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

আলোচনা শেষে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।