শিরোনাম
সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ জরুরি, খাগড়াছড়িতে উঠান বৈঠক২৪ বছর শিকলে বাঁধা হাতি ‘বাহাদুর’ বন বিভাগ জেনেও না জানার ভান করে আছেস্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বার্মিজ কারেন্ট জালসহ ৪ জন আটকখাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণা

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় মানিকছড়িতে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

৭৬

॥ মোঃ ইসমাইল হোসেন, মানিকছড়ি ॥

গত ৩০ জানুয়ারি গভীর রাতে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের গুগড়াছড়ি ধর্মসু বৌদ্ধ বিহারের ভেতরে ভিক্ষু বিশুদ্ধ মহাথেরুকে খুনের ঘটনা ঘটে। তাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার লক্ষে মানিকছড়ি উপজেলার মসজিদ, মন্দির, ক্যায়াং, ইমাম, পুরাহিত, ভান্তেসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সম্পাদক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকে নিয়ে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভার আয়োজন করেন উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় উপজেলা টাউন হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভা.প্র) রুম্পা ঘোষ’র সভাপতি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জয়নাল আবেদীন। অতিথি ছিলেন, থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ ইলিয়াস হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুর রহমান ফারুক, ক্যয়জরী মহাজন, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি সজল বরণ সেন, তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা দুপ্রক সভাপতি মোঃ আতিউল ইসলাম প্রমূখ।

যোগ্যাছোলা জেতবন বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মারমা ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের যুগ্ন-আহ্বায়ক অংশেপ্রু মারমা, রাঙ্গাপানি সার্বজনিন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপজেলা ভিক্ষু সমিতির যুগ্ন-সম্পাদক উসারা ভিক্ষু, উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত মডেল কেয়ারটেকার মাওলানা মোঃ আবুল কাশেম।

বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। পাহাড় বা সমতল কোথাও কোন জাতি বা গোত্রকে সংখ্যালঘু হিসেবে বিবেচনা না করে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে প্রশাসন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে ইর্ষান্নিত হয়েই একটি কুচক্রি মহল পাহাড়ে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। এছাড়াও কোন গুজবে কান না দিয়ে যে কোন ঘটনা জানা-শোনার পর প্রশাসনকে অবহিত করে ঐক্যবদ্ধভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করারও আহব্বান জানান। তাছাড়া এই দেশের নাগরিক হিসেবে সবারই নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। সভায় ভান্তের এই নির্মম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানানো হয়।