শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক লংগদুতে ৩টি করাতকল বন্ধ ও জরিমানা

৩৭

॥ মোঃ আলমগীর হোসেন,লংগদু ॥

রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলায় অনুমোদন বিহীনভাবে স’মিল (করাত কল) স্থাপন করে ব্যবসা করার দায়ে তিনটি স’মিল বন্ধ ও আর্থিকভাবে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। রবিবার (২জানুয়ারি) উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্যাট মাইনুল আবেদীন এ আদালত পরিচালনা করেন বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় জনগনের অভিযোগের ভিত্তিতে লংগদু উপজেলা প্রশাসন উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়নের কালুমাঝিরটিলা এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতের (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করে ৩টি অবৈধ স’মিল (করাত কল) বন্ধ করে তালা লাগিয়ে (সিলগালা) করে দেওয়া হয়। এছাড়াও তিনটি করাত কল মালিক পক্ষকে মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। এসময় ঝুম নিয়ন্ত্রন বনবিভাগের উল্টাছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রশীদ, লংগদু থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মোঃ বশির সহ বনবিভাগের সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রে জানা যায়, লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাইনুল আবেদীন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় করাত কল মালিক তিনজনই কোন বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি। এসময় লংগদু থানা পুলিশ ও বনবিভাগের লোকজন করাত কল তিনটিতে সীল করে দেওয়া হয় ।

অবৈধভাবে করাত কল বসিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা দায়ে তিন মালিক মোঃ আব্দুল হালিম, রফিকুল ইসলাম, মানুনুর রশীদকে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্যাট মাইনুল আবেদীন জানান, যতদিন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারবে না ততদিন এই করাত কল বন্ধ (সিলগালা) থাকবে। অবৈধ স’মিল বন্ধের ব্যাপারে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।