শিরোনাম
এমএন লারমা স্বপ্ন দেখেছিলেন অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ নিমার্ণের, তা বাস্তবায়ন হোকগঠিত এসব কমিটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সহ সকল সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশাপার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতীয় কমিটিকে অভিনন্দন‘সাজু আপা’ নিজেই নির্যাতিত কিন্তু কোন নারী-শিশু নির্যাতন হতে দেখলেই ছুঁটে যানরাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানরামগড়ে সীরাত কন্ফারেন্স ও কুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিতকোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যেন অসাধু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে নষ্ট না হয়: পার্বত্য মন্ত্রীজুয়া খেইলতু হনে হর আবার দুধ দিয়েনা গোসলঅ গড়রনাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের অভিযানে ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক- ১খাগড়াছড়ির রামগড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন

রামগড়ের ইউপি নির্বাচনে দেবর-ভাবীর জয়

৮০

॥ মানিকছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ির ১নং রামগড়ের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দেবর-ভাবী বিজয়ী হয়ে চমক সৃষ্টি করেছেন। গত ২৬ ডিসেম্বরের চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে ইউপি সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তাঁরা। নির্বাচনী ফলাফলে দেবর সাধরণ সদস্য ও ভাবী সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন । একই পরিবারের দেবর-ভাবীর এমন সাফল্যে এলাকায় চলছে আলোচনার ঝড়।

নির্বাচিত দেবর মোহাম্মদ সালাউদ্দীন রামগড় সদর ইউপির ৭নং ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য হিসেবে এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড থেকে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হিসেবে ভাবী জাহেদা বেগম নির্বাচিত হয়েছেন। ১নং রামগড় ইউপির ৭ নং ওয়ার্ডে তালা প্রতীক নিয়ে মোহাম্মদ সালাউদ্দীন ৯০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে ৭,৮,৯ নং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হিসেবে কলম প্রতীক নিয়ে ভাবী জাহেদা বেগম ১৮২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। জাহেদা আক্তার ৭নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সালাউদ্দীনের বড় ভাইয়ের স্ত্রী।

স্থানীয় এলাকাবাসী আব্দুল মন্নান কোম্পানি ও নুর হোসেন জানান, তাদের এ বিজয়ে আমরা আনন্দিত। রামগড়ে এটিই প্রথম। মানুষের ভালোবাস আর ভোটারের রায়ের প্রতিদান দেবে দেবর-ভাবী’র এমনটাই প্রত্যশা এলাকাবাসীর।

নির্বাচিত ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সালাউদ্দীন ও তার ভাবী জাহেদা বেগম এলাকার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, মানুষের ভালোবাসার এই ঋণ কোনো দিন শোধ করা যাবে না। তবে মানুষের পাশে থেকে সেবা করার অঙ্গীকারও করেন তারা। মানুষের এমন রায়ে জনগনকে সেবার মাধ্যমে ঋণ শোধ করতে পারে সেজন্য সকলের সহযোগীতাও কামনা করেন তারা।