শিরোনাম
যানবাহন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালদক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করছেন রামগড়ের সন্তান মংসাথোয়াইসুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

মহালছড়িতে মুবাছড়ি বন বিহারে কঠিন চীবর দানোৎসবে

৯০

॥ মিল্টন চাকমা, মহালছড়ি ॥

খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার মুবাছড়ি বন বিহারে বুদ্ধের সময় প্রধান উপাসিকা বিশাখা কৃর্তক প্রবর্তিত রীতি অনুযায়ী কঠিন চিবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার (২৯ ও ৩০ অক্টোবর) দুই দিনব্যাপী এ কঠিন চিবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (৩০ অক্টোবর) সকালের পর্বে পঞ্চশীল গ্রহন, সংঘদান, অষ্ট পরিষ্কার দান, বুদ্ধ মূর্তি দানসহ নানাবিধ দানানুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সংঘ প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি বন বিহার আবাসিক ভিক্ষু সংঘ প্রধান প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির। সকালের পর্বে প্রধানধর্মদেশক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গামারি ঢালা বন বিহারাধ্যক্ষ বোধিপাল মহাস্থবির, মিলন পুর বন বিহারাধ্যক্ষ শ্রদ্ধাতিষ্য মহাস্থবির ও মুবাছড়ি বন বিহারের বিহারাধ্যক্ষ সুমনাতিষ্য মহাস্থবির উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রধান উপাসক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু। বিশেষ দায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহালছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা ও খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য নিলোৎপল খীসা।

প্রধান উপাসক মংসুইপ্রু চৌধুরী ধর্মীয় আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, আমাদের প্রত্যেককে সহনশীল হতে হবে। অন্য সম্প্রদায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। সম্প্রীতির মাধ্যমে সহিংসতা রোধে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দেশের সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষ যার যার ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে বলেছেন। তাই সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ একযোগে কাজ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহবান জানান।

বিকালের পর্বে মূল অনুষ্ঠান বুদ্ধের প্রধান সেবিকা বিশাখা কর্তৃক প্রবর্তিত রীতি অনুযায়ী ২৪ ঘন্টার মধ্যে বুননকৃত ত্রি- চীবর ভিক্ষু সংঘের উদ্দেশ্যে দান ও সকল জীবের হিতার্থে উপস্থিত সংঘের ধর্মীয় দেশনা প্রদান, সমবেত প্রার্থনা ও সন্ধ্যায় চুলা মনি চৈত্যকে পূজা করার উদ্দেশ্যে ফানুস উত্তোলন করা হবে।