শিরোনাম
সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ জরুরি, খাগড়াছড়িতে উঠান বৈঠক২৪ বছর শিকলে বাঁধা হাতি ‘বাহাদুর’ বন বিভাগ জেনেও না জানার ভান করে আছেস্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বার্মিজ কারেন্ট জালসহ ৪ জন আটকখাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণা

রাজস্থলীতে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা

৫৫

॥ রাজস্থলী উপজেলা প্রতিনিধি ॥

রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার (৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ নির্বাহী অফিসারের কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শান্তনু কুমার দাশের সভাপতিত্বে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’-২০২১ উপলক্ষে “সবার জন্য প্রয়োজন, জন্ম ও মৃত্যুর পরপরই নিবন্ধন” এই প্রতিপাদ্যের আলোকে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজস্থলী উপজেলা চেয়ারম্যান উবাচ মারমা,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা ভাইস চেযারম্যান অংনুচিং মারমা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান উসচিন মারমা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মফজল আহমদ খান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন ইউপি মেম্বার চেয়ারম্যান গণমাধ্যম কর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান উবাচ মারমা বলেন, কোন শিশু জন্ম গ্রহণ করলে তার জন্ম তারিখ সঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে জন্ম নিবন্ধন করতে হবে এবং অবশ্যই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৪৫ দিনের মধ্যে শিশুর জন্ম নিবন্ধন করতে হবে। জন্ম নিবন্ধন করা যতটা জরুরী ঠিক তেমনি মৃত্যু নিবন্ধন করা ততটাই জরুরী। তাই কোন মানুষ মৃত্যুবরণ করলে অবশ্যই তাহার মৃত্যু নিবন্ধন করতে হবে।

বক্তরা আরো বলেন, তথ্য কেন্দ্রগুলোতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করতে যাওয়া জনগণের হয়রানি স্বীকার হয়। ফলে জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে বয়স কমানো বা বাড়ানোর প্রবণতা রোধে তথ্যকেন্দ্র বা ইউনিয়ন পরিষদে স্কুলগুলোর প্রতিটি শিক্ষার্থীর বয়স উল্লেখিত সত্যায়িত একটি তালিকা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।